বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বেশ কিছুদিনের। প্রেমিকাকে নিয়ে আলাদা সময় কাটাবেন বলে ঘুরতে গিয়েছিলেন দিঘা। কিন্তু সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে সুখ সইল না ব্যক্তির। হলেন আত্মঘাতী, এমনটাই প্রাথমিক অনুমান। ব্যক্তির প্রেমিকাকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তবে ব্যক্তির স্ত্রীর দাবী, তাঁর স্বামীকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিঘা পুলিশ।
নিউ দিঘার একটি হোটেলে আত্মঘাতী হলেন রাম উপাধ্যায় নামের ওই ব্যক্তি। বাড়ি হুগলীর ডানকুনি থানার গোকুলধাম দিল্লি রোডে। ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা ছিল রামবাবুর। তাঁর স্ত্রী অনিতা উপাধ্যায়ের দাবী, রামবাবুর প্রেমিকা মালা ঘোষ ও ব্যবসায়ী সঙ্গী কমল নারায়ণ এই খুনের পিছনে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল, রবিবার মালা ঘোষের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে যান রামবাবু,। আর এদিন রাতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। আজ, সোমবার দুপুর হোটেলের লোকজন ও দিঘা থানার পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় দিঘা হাসপাতালে।
সেখানে নিয়ে গেলে রামবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক। এরপরই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। আটক করা হয় নিহত ব্যক্তির প্রেমিকা মালাকে। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতের ন’পাড়ার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তিনি বিবাহিত হলেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল রামবাবুর সঙ্গে।
রামবাবুর স্ত্রী অনিতা উপাধ্যায়ের বয়ান অনুযায়ী, গতকাল রামবাবুর হলদিয়ায় ব্যবসার কাজে যাচ্ছেন বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। মাঝে ফোনে কথা হলেও রাতে আর ফোন ধরেন নি রামবাবু। সকালে ফোন করলে মালা ফোন ধরে রামবাবুর মৃত্যুর খবর জানান তাঁকে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে মালা ঘোষের বক্তব্য, “রাতে মদ খেয়ে আমার সঙ্গে অশান্তি করছিল রাম। মারধরও করে। রাগে আমি বারান্দায় চলে যাই। সেই ফাঁকেই গলায় দড়ি দিয়েছে সে। আমি একবার বারণ করেছিলাম কিন্তু ও শোনে নি। তারপর কখন যে এমন করল”। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মালা ঘোষকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।






