স্কাইওয়াকের জন্য খোঁড়া হচ্ছিল মাটি, হঠাৎ ঘটল অলৌকিক কাণ্ড, বেরিয়ে এল এক শিবলিঙ্গ, সঙ্গে ঘণ্টাও, তুমুল হইচই জলপাইগুড়িতে

জলপাইগুড়ি জল্পেশ মন্দির বিশেষ বিখ্যাত। প্রত্যেক বছর এই মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। আর এই জল্পেশ মন্দিরের কাছেই ঘটে গেল এক অলৌকিক ঘটনা। জলপাইগুড়ির এই জল্পেশ মন্দিরের কাছে স্কাইওয়াক তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইজন্যই শুরু হয়েছিল মাটি খোঁড়ার কাজ। তবে গতকাল, মঙ্গলবার মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল আক অনাদি শিবলিঙ্গ যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ হট্টগোল শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর অনুযায়ী, জল্পেশ মন্দিরের কাছে শুরু হয়েছে স্কাইওয়াক তৈরির কাজ। এই স্কাইওয়াক তৈরির জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫ কোটি টাকা। এই স্কাইওয়াকের জন্যই মাটি খোঁড়া হচ্ছিল এদিন। জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে চলছিল খোঁড়ার কাজ। তবে হঠাৎই সেখানে মাটির গভীরে শিবলিঙ্গ দেখা যায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশি সময় লাগেনি।

জানা গিয়েছে, এই শিবলিঙ্গের উচ্চতা প্রায় আড়াই ফুট আর চওড়ায় এটি প্রায় দু ফুট। এই শিবলিঙ্গের ওজন প্রায় দেড় কুইন্টালের কাছাকাছি। পাথর খোদাই করে এই শিবলিঙ্গ তৈরি। এও জানা গিয়েছে যে ওই শিবলিঙ্গের সঙ্গে মন্দিরের মন্দিরের শিবলিঙ্গের বেশ মিল রয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি তুলে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে একটি লোহার ঘণ্টাও মিলেছে বলে খবর।

মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে যে এদিন মাটি খোঁড়ার সময় একটি তীব্র শব্দ হয়। দেই শব্দ কি থেকে এল, তা খুঁজতে গিয়ে আরও খানিকটা মাটি খোঁড়া হয়। আর এরপরই বেরিয়ে আসে ওই শিবলিঙ্গটি। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে যান মন্দির কমিটির সদস্যরা।

এই বিষয়ে মন্দির কমিটির সম্পাদক গিরিন দেব বলেন, “‌উদ্ধার হওয়া মূর্তিটির সঙ্গে মূলও মন্দিরের অনাদি শিবলিঙ্গের মিল রয়েছে। জল্পেশ মন্দিরের শিবলিঙ্গটি যত গভীরে রয়েছে এই শিবলিঙ্গটিও সেই গভীরতা থেকেই উদ্ধার হয়েছে। আপাতত এটিকে নিয়মিত পুজো করা হবে”।

RELATED Articles