গতকাল, রবিবার ছিল জামাইষষ্ঠী। এদিন সমস্ত জামাইরা শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মহাভোজ খেয়েছেন। এই একটা দিন জামাইরা অপেক্ষা করে থাকেন শ্বশুরবাড়ি থেকে বিশেষ আদর-যত্ন পাওয়ার জন্য। এই আদর-যত্ন থেকে বাদ গেলেন না কলকাতার প্রাক্তন মেয়রও। তিনিও জমিয়ে খেলেন জামাইষষ্ঠী ভোজ।

এদিন গোলপার্কের বাড়িতেই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জামাইষষ্ঠী পালন করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশাখী জানান যে এই দায়িত্ব তাঁর মায়ের হলেও, তাঁর মা অসুস্থ থাকায় তাঁর নির্দেশেই তিনি সমস্ত ব্যবস্থা করেছেন।

রবিবারের জামাইষষ্ঠী পর্বের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে বৈশাখী জানান যে তাঁর মায়ের জায়গায় তিনিই শাশুড়ির ভূমিকা পালন করে শোভনকে জামাইষষ্ঠীর ভোজ খাওয়ান।

বৈশাখীর কথায়, শোভন তাঁর মায়ের কাছে জামাইয়ের থেকেও সন্তান বেশি। বলে রাখি, গত বছর দুর্গাপুজোর দশমীর দিন বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেটাই কী তাদের বিয়ের স্বীকৃতি ছিল কী না, সে বিষয়ে তারা কিছু না বললেও, বৈশাখী কিন্তু গতকাল জানান যে শোভন তাঁর মায়ের জামাই।

আর সত্যিই বৈশাখী এক্কেবারে জামাইয়ের মতো করেই শোভনকে পঞ্চব্যঞ্জনে সাজিয়ে খাওয়ালেন।

রুপোর থালা-বাসনে সাজানো ছিল ভাত, নানান চপ থেকে শুরু করে, মাছ, মাংসের নানান পদ। ছিল নানান নিরামিষ পদও।

রুপোর চামচে করে আবার ‘জামাই’কে পরম আদরে খাইয়েও দিলেন বৈশাখী। এর সঙ্গে ছিল মাথায় স্নেহের পরশ।

মূল ভোজের পর ছিল মিষ্টির পালা। থালা করে নানান ধরণের মিষ্টি সাজিয়ে শোভনকে পরিবেশন করেন বৈশাখী। এত মিষ্টি দেখে একটু থতমতই খেয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র।

অন্যান্য জামাইদের মতোই শোভনেরও জামাইষষ্ঠী যে বেশ ভালো কেটেছে, তা বলাই বাহুল্য।






