বলা হয় তিনিই নাকি ইন্ডাস্ট্রি। উত্তম কুমারের পর টলিউডের মহানায়ক হয়ে উঠেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার দুপুরে হঠাৎ করে বড় চমক দিলেন প্রসেনজিৎ।
বুধবার নবান্নে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু কারণটা কী? এই নিয়ে শুরু হয়েছে রীতিমতো নানা রকম জল্পনা।
তবে সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি অন্যকিছু তা এখনো জানতে পারা যায়নি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং দিতিপ্রিয়া রায় অভিনীত বাংলা সিনেমা আয় খুকু আয়। এতদিন ধরে সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন এবং তারপর ছবির সাফল্য উদযাপন করছিলেন তিনি। তারপরে হঠাৎ করে কী দরকার পড়ল যে নবান্নে ছুটতে হলো অভিনেতাকে?
মে মাসের শুরুতে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মেয়রের চেতলার বাড়িতে বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন তিনি। প্রসেনজিৎ বেরিয়ে আসতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তবে সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেন কোনও রাজনৈতিক স্বার্থ নেই। প্রসেনজিৎ এবং ফিরহাদ দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাই দুমাস ধরে মুম্বইতে থাকার পর শহরে ফিরে দেখা করতে এসেছিলেন বন্ধুর সঙ্গে।
এক বছর আগে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়েছিল টলিউড তারকাদের মধ্যে। দল বদলুদের লম্বা তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। রাজনীতিতে প্রসেনজিতের যোগদান নিয়ে একাধিকবার নানারকম গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছিল। কিন্তু কোনোটাই সফল হয়নি।
কিন্তু এই সময়ে ঘনঘন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে প্রসেনজিতের দেখা করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এবং বিনোদন দরিয়ায় যথারীতি শুরু হয়েছে আলাপ-আলোচনা। ঠিক কী উদ্দেশ্য রয়েছে অভিনেতার? এখনও জানা যায়নি।






