যে কোনও মামলায় তিনি ফের কোর্টে গিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন। এমনকি তাঁর বার কাউন্সিলিংয়ের কার্ডও এখনও রয়েছে। পুরনো স্মৃতি মনে করে এমনটাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এও বলেন যে মিডিয়া ট্রায়াল যাতে বন্ধ করা হয়, মমতার কথায়, “আমিও একজন আইনজীবী, প্রয়োজনে কোর্টে গিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারি”।
গতকাল, বৃহস্পতিবার নব মহাকরণ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিং কলকাতা হাইকোর্টের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানেই তিনি জানান যে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অনুরোধ করেছিলেন যাতে হাইকোর্ট সংলগ্ন এলাকায় একটি ভবন খুঁজে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত মামলা সেখানেই যাবে।
এদিন নব মহাকরণ ভবনটি হাইকোর্টের হাতে তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে তিনি এমনটা করে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। নব মহাকরণ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে রাজ্যের ১৯টি দফতরের কর্মচারীরা কাজ করতেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে কলকাতা হাইকোর্টের অনুরোধ মাথায় রেখে মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করার পর এই দফতরের কর্মীদের অন্য জায়গায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মমতা বিচারকদের কাছে আবেদন করেন যাতে আটকে থাকা মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। তিনি বলেন, “বকেয়া মামলা গুলি দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা হোক। কিছু কিছু মামলা ৩-৪ বছর ধরে আটকে আছে”। এছাড়াও মমতা জানান আইন জগতে আরও বেশি করে মহিলা বিচারপতির প্রয়োজন আছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার যে আগ্রহী সে বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “রাজ্যে ৮৮ টি ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্ট বন্ধ ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে সেই কোর্ট গুলি চালু করে। যার খরচ রাজ্য সরকার নিজে চালায়”।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি নিজেও একজন আইনজীবী। আগেও বহুবার বিভিন্ন মানবাধিকার মামলায় লড়েছি। যে কোন প্রয়োজনে আবার কোর্টে গিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারি”। তিনি এও জানান যাতে বিচারাধীন মামলাগুলি নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ হয়।





