ফের একবার ‘দিদির সুরক্ষাকবচ’ (Didir Suraksha Kawaj) কর্মসূচি পালনে এলাকায় যেতেই গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’। গ্রামে ঢুকতেই সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে (Bikash Roy Chowdhury) ঘিরে ধরে অভিযোগ জানান গ্রামবাসীরা। সেই অভিযোগ চাপা দিতে তৃণমূল কর্মীরা স্লোগান শুরু করে। সেই সময় বিধায়ক পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা (villagers) তাঁকে ঘিরে অভিযোগ জানাতেই থাকেন। পরে স্থানীয় ক্লাবে বসে গ্রামবাসীদের অভিযোগ শোনেন বিধায়ক।
আজ, শুক্রবার সিউড়ির আলুন্দা পঞ্চায়েতের জুনিদপুর গ্রামে ’দিদির দূত’ হয়ে গিয়েছিলেন বিকাশ রায়চৌধুরী। তাঁকে দেখেই গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন যে আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির জন্য তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান অনেকের কাছ থেকে ‘কাটমানি’ নিয়েছেন। এছাড়াও কেউ কেউ আবার এলাকার বেহাল রাস্তা নিয়ে অভিযোগ করেন।কারোর প্রশ্ন ছিল জব কার্ড নিয়েও।
তাদের এমন অভিযোগ শুনে বিধায়ক তাঁদের বলেন তারা যাতে অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানান। গ্রামবাসীরা জানান, অফিসে অভিযোগ জানাতে গিয়ে তাঁর দেখা মেলেনি। এরপর এক গ্রামবাসী কিছু বলতে গেলেই তৃণমূল কর্মীরা স্লোগান দিতে শুরু করে। আর অভিযোগ চাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। সেই সময় পাশ কাটিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিধায়ক।
তবে লাভ হয়নি। গ্রামবাসীরা ঘিরে ধরেন বিধায়ককে ও বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে একটি ক্লাবে বসে বিধায়ক গ্রামবাসীদের অভিযোগ শোনেন। গ্রামবাসীদের তারাও তৃণমূল করে। তারা নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে এসেছেন বিধায়কের কাছে।
এরপর বিধায়ক বলেন, “এখানে কোনও ক্ষোভ নেই। কিছু সমস্যা আছে সেই সমস্যার কথাই বলতে এসেছিলেন। এই গ্রামের সবাই তৃণমূল কংগ্রেস করে। ওঁরা তৃণমূল কংগ্রেস ছিল তৃণমূলেই থাকবে। যদি কেউ দুর্নীতি করে থাকে তবে দল তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা”।






