কলকাতায় থাকলে প্রায় প্রতিদিনই প্রাতঃভ্রমণে বের হন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আর সেই সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য ও রাজ্য সরকারের (state government) নানা ইস্যু নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। এবার হিন্দুদের উৎসবে হামলা নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, হিন্দুদের উৎসবে (Hindu occasion) ইচ্ছা করে গণ্ডগোল করা হচ্ছে। তিনি এমনও দাবী করেন যে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে হিন্দুরা হাতে অস্ত্র তুলে নেবে।
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “হিন্দুদের উৎসবে ইচ্ছা করে গোলমাল করানো হচ্ছে। তারাই করছে যারা নির্বাচনে গণ্ডগোল করে। তারাই করে, যারা CAA-র পর আক্রমণ করেছে, নূপুর শর্মার বক্তব্য নিয়ে আক্রমণ করেছে, সেই একই লোক গণ্ডগোল করছে”।
তাঁর সংযোজন, “বাহানা দিয়ে হিন্দুদের ধর্ম টর্ম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীকালে হিন্দুদের বিয়ে থাহা, শোভাযাত্রা বেরোবে না। বাড়ির মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। এটাই রাজনীতি। ভোট দিতে বেরোবে না হিন্দুরা। তারা নিজেরা লুঠে পুটে খাবে। এটা আদালত বন্ধ করেছে”।
মেদিনীপুরের সাংসদের কথায়, “আমার মনে হয় এই বাহানা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। হিন্দুরা তাদের মতো করে উৎসব পালন করবে। বাকিরা তাদের মতো উৎসব করবে। আর যদি তলোয়ার, বোম আছে বলে আটকায় তখন হিন্দুরা নিজেদের ধার্মিক অধিকার রক্ষা করার জন্য অস্ত্র হাতেও নামবে। নামার দরকার আছে। নইলে এরা সব বন্ধ করে দেবে”।
প্রসঙ্গত, রামনবমীর মতো পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় সেই কারণে হনুমান জয়ন্তীতে রাজ্যে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ মেনেই হনুমান জয়ন্তীতে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। আদালতের তরফে এও কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয় কোনও রাজনৈতিক নেতা রামনবমী নিয়ে কোনও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতে পারবেন না।





