গতকাল, শুক্রবার ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা অবর্ণনীয়। আজ, শনিবারই দুর্ঘটনাস্থলে যেতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার বহু মানুষও ছিলেন ওই ট্রেনে। মৃতদের মধ্যে অনেকেই এই রাজ্যের হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওড়িশা সরকারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন মমতা।
শুক্রবার রাতেই দুর্ঘটনার খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত সাহায্যের ব্যবস্থাও করেন তিনি। রাতেই এই রাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন ও ও রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা বালেশ্বরে পৌঁছেছেন। সেখানে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পাশাপাশি আহতদের সঙ্গেও কথা বলছেন তারা। সাংসদ, বিধায়ক ছাড়াও এ রাজ্য থেকে একাধিক অফিসারকে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন দোলা সেন।
https://twitter.com/MamataOfficial/status/1664652476136697856?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1664652476136697856%7Ctwgr%5Ef5d6e8b3657afbd6c7a352a1616ba2de95daa7b5%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Ftv9bangla.com%2Fkolkata%2Fcoromandel-express-derailed-at-balasore-odisha-mamata-banerjee-is-going-to-spot-829050.html
বালেশ্বরে দুর্ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার যাতে কোনও রকমের অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের দল পাঠানো হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। একাধিক অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন রাতেই বালেশ্বরে পৌঁছেছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
শনিবার সকাল সাতটার খবর, করমণ্ডল দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ২৩০-এ পৌঁছে গিয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। শালিমার থেকে ছেড়ে যাওয়া করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রেনটির ১২টি কামরা উল্টে যায়। একই লাইনে ছিল হাওড়াগামী যশবন্তপুর এক্সপ্রেসও।
এই দুর্ঘটনার যে ছবি সামনে এসেছে, তা ভয়ানক। ট্রেনের কামরা উল্টে গিয়ে যে ভয়াবহ দৃশ্য সামনে এসেছে, তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। গতকালই নবান্নের তরফে উদ্ধারকার্যে সাহায্য করার জন্য পদক্ষেপ করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।






