পঞ্চায়েত নির্বাচনে একাধিক খু’ন, হিংসা, বোমাবাজির ঘটনার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। সেই নিয়ে মামলা করতে এবার ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। এই বিষয়ে আদালতের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
কী অভিযোগ অধীরের?
এদিন আদালতে অধীর চৌধুরী জানান, গত ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন রাজ্য জুড়ে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। গুলি, বোমায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। একাধিক বলি হয়েছে ভোট হিংসায়। এই অশান্তি নিয়েই ব্যক্তিগতভাবে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
কংগ্রেস নেতার দাবী, মুর্শিদাবাদ-সহ রাজ্যের নানান প্রান্তে গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্তের উপর আক্রমণ হয়েছে। তাঁরা জানেন না কোথায় যেতে হবে। হাসপাতালে যেতে পারেননি অনেকে। কোথাও কোথাও প্রসাশনও এই নিয়ে নীরব। আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের আর্জি জানান অধীর। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে বলে আবেদন করেছেন তিনি।
এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দাঁড়িয়ে অধীর বলেন, “আমি মুর্শিদাবাদ থেকে এসেছি। আমার জেলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি হচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। অনেকেই উপযুক্ত ন্যায্য বিচার পাচ্ছেন না। এমনকী মৃতদের পরিবারদের হাতেও দেহ তুলে দেওয়া হচ্ছে না”।
এরপরই প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি মামলা করার অনুমতি দিচ্ছি। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে খবর দিন”। আজ, সোমবারই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনও মমতাকে বেলাগাম আক্রমণ করেন অধীর
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা নিয়ে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। হিংসায় নিহত কংগ্রেস কর্মীর বাড়িও যান তিনি। সেখানে দাঁড়িয়েই মমতাকে তোপ দেগে অধীর বলেন, “একটা আসনে হেরে গেলে আপনার মুখ্যমন্ত্রিত্ব চলে যেত না। কয়েকটা সিটে হারলেও আপনার সরকার থাকত। তা হলে এত খুন কেন”? আর এবার আদালতের দ্বারস্থ হলেন তিনি।






