নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এল নয়া মোড়। ইডির তদন্তকারী আধিকারিক মিথিলেশ মিশ্রকে এই মামলা থেকে সরানোর নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “তদন্তকারী আধিকারিকের আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে”। এই আধিকারিককে বাংলার আর কোনও মামলার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না বলেও জানালেন বিচারপতি।
এদিন কী জানালেন বিচারপতি সিনহা?
আজ, শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, “আমি তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার মনে হচ্ছে, এত বড় গুরুত্বপূর্ণ মামলা সামলানোর ক্ষমতা তাঁর নেই। তাই ইডির ডিরেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তাঁরা যেন এই তদন্তভার নেওয়ার জন্য অবিলম্বে অন্য কোনও আধিকারিককে নিয়োগ করেন”।
এর উত্তরে ইডির আইনজীবী দাবী করেন, “মিশ্র খুবই ভালো কাজ করছেন। তবে মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় তদন্ত সময়সাপেক্ষ। রোম ওয়াস নট বিল্ট ইন আ ডে”।
এদিন বিচারপতি ইডির ডিরেক্টরকে সাফ নির্দেশ দিয়ে বলেন, “আগামী ৩ অক্টোবর যে সমন পাঠানো হয়েছে এবং যে তদন্ত চলছে তা যেন ব্যাহত না হয়”। এমনকি, এদিন তিনি নির্দেশ দেন যে আইও মিথিলেশ মিশ্রকে বাংলার কোনও মামলায় তদন্তভার দেওয়া যাবে না। এদিন হাইকোর্টে পাঁচ পাতার রিপোর্ট জমা দেন মিথিলেশ মিশ্র। এই রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তিনটি পৃথক দল গঠন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন আদালতে ৩ অক্টোবর সমন পাঠানোর বিষয়টি উত্থাপন করেন। বলেন, “ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন ইডিকে কে কেয়ার করে? স্টপ মি ইফ ইউ ক্যান”। সেই প্রসঙ্গেই এদিন বিচারপতি সিনহা ইডিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ইডির পাঠানো সমনের যদি কেউ বিরোধিতা করেন, সেক্ষেত্রে যেন কড়া পদক্ষেপ করা হয়।





