পুজোর আগে বকেয়া ডিএ-সহ চার দফা দাবী তুলেছে সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। সেই দাবী জানিয়ে এবার ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির ডাক দিল ডিএ আন্দোলনকারীরা। আজ, মঙ্গলবার ও বুধবার কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে সংগ্রামী যৌথমঞ্চের তরফে।
কী দাবী আন্দোলনকারীদের?
আন্দোলনকারীরা দাবী জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। এর পাশাপাশি স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ, যোগ্য অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী নিয়োগ করার দাবীও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। শুধু শহিদ মিনারই নয়, নবান্ন ও রাজভবনের সামনেও তারা অবস্থান করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
প্রায় এক বছর ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবী জানিয়ে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। আজ সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আন্দোলন ২৫৭ দিনে পড়ল। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি করবেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা ইতিমধ্যেই দিল্লি অভিযান করেছেন। এর আগেও কর্মবিরতি পালন করেছেন।
কোনও সমাধান সূত্র কী মিলেছে?
আন্দোলনকারীদের উত্তর, ‘না’। এক আন্দোলনকারী জানান, “আমরা আগেও যেভাবে আন্দোলন করেছি, ১০ ও ১১ তারিখ সেভাবেই পেন ডাউন করেছি। এতে যদি কাজ না হয় আগামিদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে শামিল হব। একসঙ্গে তিন জায়গায় আন্দোলন চলবে। এখানকার পাশাপাশি নবান্ন, রাজভবনের সামনেও অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করতে চলেছি”।
যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “সরকারের কোষাগার যদি শূন্যই হয় তাহলে মন্ত্রী, বিধায়কদের প্রতি মাসে বেতন দিতে অতিরিক্ত ১১ কোটি টাকা কোথা থেকে আসবে?
প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর জন্য প্রত্যেক ক্লাবগুলিকে ৭০ হাজার টাকার অনুদান দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এমনকি, বিদ্যুতের বিলেও বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই বছর অনুদান আরও ১০ হাজার বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ কেন দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে ক্ষোভ জারি করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ, “পুজোর অনুদানে সবমিলিয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা খরচ করছে রাজ্য। তখন সরকারের ভাঁড়ারে টান পড়ে না। শুধু আমরা বকেয়া ডিএ-র দাবি জানালেই সরকারের কোষাগার শূন্য হয়ে যায়। এরই প্রতিবাদে আমাদের এই কর্মসূচি”।





