এর আগে তৃণমূল বারবার অভিযোগ করে এসেছে যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই কাজ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে অপব্যবহার করছে বিজেপি। এবার সেই একই কথা শোনা গেল দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর গলাতেও। তাঁর দাবী, তাঁর আপ্ত সহায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। কিছু না পাওয়ায় তাঁর নাম বলতে চাপ দিচ্ছেন তদন্তকারীরা।
ঠিক কী বললেন সুজিত বসু?
দমকলমন্ত্রী বলেন, “কোনও নেতা দোষ করলে তাঁকে গ্রেফতার অবশ্যই করুক। কিন্তু অনেকের দোষ না থাকা সত্ত্বেও তাঁদের গ্রেফতার শুধু করছে না, অসুস্থও করে দিচ্ছে”।
অভিযোগ করে সুজিত বলেন, “আমার আপ্ত-সহায়ক নিতাই দত্ত। তাঁর বাড়িতে ইডি-কে পাঠানো হল। ১২ ঘণ্টা জেরা করল। কিছুই পেল না। তারপর ওকে বলা হল সুজিত বোসের নাম বলে দাও তোমায় ছেড়ে দেব। এটা কোন ধরনের অত্যাচার”।
বলে রাখি, এই নাম বলতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ এর আগে করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই অভিযোগ শোনা গেল সুজিত বসুর গলায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এজেন্সির অপব্যবহার হচ্ছে, এই বিষয়টিকেই লোকসভা ভোটের আগে নিজেদের অস্ত্র করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির।
এই বিষয়ে অবশ্য বিজেপির বক্তব্য, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দোষীদেরই গ্রেফতার করছে। বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়ার অধিকার তৃণমূল হারিয়েছে। দুর্নীতি প্রসঙ্গে তৃণমূলের কোনও নেতার আর জনমণে কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। রাজ্য সরকারের প্রাথমিক তিনটি বিষয় থাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য। এরা গরিব মানুষের মুখের খাদ্য বিক্রি করে দিয়েছে”।
এই নিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের বক্তব্য, “ইডি লাল-নীল ডায়রি পাচ্ছে সেটা কোর্ট জানার আগে মিডিয়া জেনে যাচ্ছে। কীভাবে জানতে পারছে? ইডি-সিবিআই এর কাজ কী এটাই তদন্তের নামে প্রহসন করে একজনের সামাজিক সম্মানহানি করা”?






