উৎসবমুখর বাংলা! বিশাল উচ্চতার জগদ্ধাত্রী ঠাকুর বরণ করতে আনা হল JCB, মা-কে সিঁদুর পরাতে পেরে খুশি মহিলারা

বাংলায় উৎসবের অন্ত নেই। একের পর এক উৎসব, পুজো লেগেই থাকে বাংলায়। ওই কথাতেই তো রয়েছে, বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। দুর্গাপুজো, কালীপুজো কাটিয়ে আসে জগদ্ধাত্রী পুজো। গোটা বাংলাতেই এই পুজো হলেও চন্দননগর ও কৃষ্ণনগরে এই পুজোর রেশ সবথেকে বেশি। এবার এই জগদ্ধাত্রী মায়ের বরণে ঘটল এক কাণ্ড।  

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

জগতকে ধারণ করেন যিনি, তিনিই জগদ্ধাত্রী। তাই তো জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের আকার, উচ্চতা দেখে চোখ স্থির হয়েই যায়। বিশাল বিশাল উচ্চতার জগদ্ধাত্রী পুজো হয় রাজ্যে। পাণ্ডুয়াতেও বেশ বড় করে জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। সেখানে মোট ৩৬টি জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। ২৮টি পুজো হয় কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে।

সেখানকারই একটি নামকরা পুজো হল পাণ্ডুয়া থানার বৈঁচির ইয়ংস্টার ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পুজো। খুব বড় উচ্চতার ঠাকুর হয় এখানে। এখানকার জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। গতকাল, শুক্রবার বৈঁচির সবথেকে পুরনো জগদ্ধাত্রী পুজো ইয়ং স্টার ক্লাবের ঠাকুরের নিরঞ্জন ছিল। এদিন হাইড্রা মেশিন দিয়ে প্রতিমাকে নামানো হয় মণ্ডপ থেকে।

এরপর জেসিবিতে চড়ে হয় মায়ের বরণ। এত বড় ঠাকুর যে তাঁর নাগাল পাওয়া দুষ্কর। সেই কারণেই জেসিবিতে চড়ে বরণ। এমন ব্যবস্থাপনায় বেশ খুশি মহিলারা। তারা জানান, এর আগে মা-কে বরণ করলেও পায়ের কাছে করতে হত। বরণের পর মাকে সিঁদুর পরানো বা মায়ের মুখে মিষ্টি দেওয়া যেত না। তবে এই বছর জেসিবিতে উঠে তা করতে পেরে বেজায় খুশি মহিলারা।  

এই বিষয়ে ক্লাব সদস্য রাম ভট্টাচার্য বলেন, “মায়ের উচ্চতা বেশি, তাই হাইড্রা দিয়ে নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু প্রতিমা বরণের রীতি অনুযায়ী জেসিবি মেশিনে তুলে বরণ করানো হয়। বরণ সিঁদুর খেলার পর স্থানীয় পুকুরে হয় নিরঞ্জন”।

আরও অন্যান্য খবর