গত রবিবার ছিল বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ। এদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার হয় ভারতের। স্বপ্নভঙ্গ হয় ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। ভারতের এই হারে গোটা দেশবাসীর মন যখন মন খারাপ, সেই সময় প্রতিবেশী দেশে চলছে এক পৈশাচিক উল্লাস।
বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের হারের পর রীতিমতো উল্লাসে মাতে বাংলাদেশীরা। রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায় তাদের। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তাদের কথায়, তারা অস্ট্রেলিয়ার জিতের জন্য খুশি নয়, তারা খুশি যে ভারত হেরেছে।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভারতবাসীরা। বাংলাদেশের এই উল্লাস ভালো চোখে নেয়নি বিসিসিআই-ও। আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়াম লিগ অর্থাৎ আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশকে। অর্থাৎ, আইপিএলে খেলবে না কোনও বাংলাদেশী খেলোয়াড় যা সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের জন্য বড় ধাক্কা।
এসবের মধ্যেই দার্জিলিংয়ের এক হোটেল নিষিদ্ধ করলে বাংলাদেশী পর্যটকদের। দার্জিলিংয়ের একটি হোটেল Royoporus Taktsang। সেই হোটেলের তরফে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে তারা লিখেছে যে অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের হোটেলে বাংলাদেশি পর্যটকদের বুকিং বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পোস্টের প্রথমেই রয়েছে ভারতীয় পতাকার ইমোজি। ভারতের হারে বাংলাদেশিদের উল্লাসের কারণেই যে দার্জিলিংয়ের এই হোটেল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বেশ স্পষ্ট।

বাংলাদেশীদের এমন পৈশাচিক হারের জন্য প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন ভারতীয়রাও। বাংলাদেশীদের একাংশের মতে, ভারতে তাদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। এর জেরে মহা বিপদে পড়েছেন তারা। বাংলাদেশীদের অনেকেই ভারতে আসেন নিজেদের আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে বা সর্বোপরি কলকাতা বা দক্ষিণ ভারতে চিকিৎসার জন্য।
এমন অবস্থায় যদি ভারতের ভিসা বাতিল হয়, তাহলে যে তা বাংলাদেশীদের জন্য অনেক বড় বিপদ ডেকে আনবে, তা বলাই বাহুল্য। আর এই কারণে ভারতের হারে বাংলাদেশীদের একাংশের উল্লাসের জন্য তাদেরই দুষছেন বাকি বাংলাদেশী নাগরিকরা। যদিও ভারতের তরফে এখনও অফিশিয়ালি বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের বিষয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে অনেক বাংলাদেশীরাই জানাচ্ছেন যে ভারতে তাদের ভিসা বাতিল হচ্ছে।





