কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে কোনওভাবেই মাথানত করবেন না। তিনি আমৃত্যু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন, তা বিধানসভায় দাঁড়িয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন কলকাতার মেয়র তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “আমার বাড়িতেও তো এসেছিল (কেন্দ্রীয় এজেন্সি)। কী পেয়েছে”? এর পরই মেয়রের খোঁচা, “ভয় দেখাবেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে চলে যাব? না, মৃত্যু পর্যন্ত থাকব”।
আজ, মঙ্গলবার বিধানসভায় ন্যায় সংহিতা বিরোধী প্রস্তাব আনা হয়। এই প্রস্তাবের স্বপক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়েই এদিন কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ শানান ফিরহাদ হাকিম। বলেন, “আমরা তো সবাই রাষ্ট্রদ্রোহী। কারণ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বলি আমরা”।
এরপরই ফিরহাদের খোঁচা, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী আর শাহ বলছেন আরও সতর্ক থাকতে হবে। যাতে বিরোধিতা মাথা না তুলতে পারে। দাসত্ব কায়েম হয়। এই আইন পাস (ন্যায় সংহিতা) হলে বলবে ফর দি পুলিশ বাই দি পুলিশ অফ দি পুলিশ। এই দিয়ে দমন হচ্ছে”।
বিধানসভায় এই আলোচনা চলাকালীন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দেশের সংবিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটা দানবিকতা। মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেবে। ১৭২ ধারা অনুযায়ী দেশে পুলিশ রাজ কায়েম করার চেষ্টা হচ্ছে”।
এদিন এই কথা শোনা গিয়েছে আরেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “কলোনিয়ালিজমকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে কি? না। এর প্রকৃতিকে আরও বেশি গেরুয়াকরণ করা হচ্ছে। এই সংহিতার মাধ্যমে কি সমঅধিকারকে ছুটি দেওয়া হচ্ছে? আরও দানবিক করা হচ্ছে এই পরিস্থিতিকে। অন্তর্বর্তীকালীন জামিন তুলে দেওয়া হল”।





