পৌষের শেষে শীতের কামড়, কাঁপছে বঙ্গবাসী, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা, দার্জিলিংয়ে ফের তুষারপাতের সম্ভাবনা

গোটা পৌষ মাস সেভাবে শীত পায়নি রাজ্যবাসী। অবশেষে পৌষ সংক্রান্তির মুখে বঙ্গে ফিরেছে শীত। বেশ ভালোই শীত উপভোগ করছে বঙ্গবাসী। রাত কাটলেই পৌষ সংক্রান্তি। এরই মধ্যে এবার একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল হাওয়া অফিস।  

কোথায় কোথায় চলবে শৈত্যপ্রবাহ?

গতকাল, শনিবার কলকাতায় ছিল মরশুমের শীতলতম দিন। আজ, রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছিই। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও কম। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, আসানসোল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে গিয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, আগামী ৪৮ ঘন্টায় পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহ চলবে।

তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, এই শীত ক্ষণস্থায়ী। মঙ্গলবার থেকেই কিছুটা বাড়বে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ১৬ জানুয়ারি বঙ্গোপসাগর থেকে বেশি পরিমাণ জলীয় বাষ্প প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে উপকূলের জেলা ও উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি দুই বঙ্গেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাল হাওয়া অফিস।

অন্যদিকে আবার সিকিমে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যার প্রভাব পড়বে দার্জিলিংয়েও। শীতের শেষ গোড়ায় এসে ফের তুষারপাতের সাক্ষী হতে পারে শৈল শহর। তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ফের বৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বুধ ও বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পংয়ে। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও হালকা বৃষ্টি হতে পারে।  

মৌসম ভবন জানাচ্ছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় ও দিল্লিতে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে। বিহারেও শৈত্যপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় উত্তর পশ্চিমের পার্বত্য এলাকাতে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা।

RELATED Articles