স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নাবালিকার উপর হামলা। আচমকাই এক যুবক এসে ছুরি দিয়ে কো’প বসায় ছাত্রীর গলায়। এরপরই সেখান থেকে চম্পট দেয় সে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে যুবকের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের পুরাতন মালদার আট মেইল এলাকায়। আহত ওই ছাত্রীর নাম সুদীপা স্বর্ণকার। বয়স বছর ১৩। গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই নাবালিকা। এক বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে সুদীপা। জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো আজ, মঙ্গলবারও স্কুল ছুটির পর দিদির সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সে। হেঁটেই ফিরছিল। সেই সময়ই হঠাৎ এক যুবক এসে অতর্কিতে হামলা চালায় ওই ছাত্রীর উপর। ছুরি দিয়ে গলা কে’টে দেয় ওই ছাত্রীর।
কেন এমন হামলা হল?
ছাত্রীর পরিবারের দাবী, ওই যুবক নাকি বেশ কিছুদিন ধরেই উত্যক্ত করছিল সুদীপাকে। প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল তাকে। তবে তাতে রাজি হয়নি সুদীপা। তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে জোর করতে থাকে ওই যুবক। তাতে রাজি না হওয়াতেই এই ঘটনা বলে মনে করছে সুদীপার পরিবার।
এই ঘটনায় সুদীপার দিদি ছায়া স্বর্ণকার জানান, “বোনু ওকে আগেই দেখতে পেয়েছিল। তখনই আমায় বলেছিল দিদি তাড়াতাড়ি পা চালা। ওই ছেলেটা আসছে। আমি আর ও জোরে জোরে হাঁটছিলাম। এরপর ছেলেটা এসে বোনুকে ফেলে দিল। তারপর পিছন থেকে ধরে ওর গলা ছুরি দিয়ে কা’ট’তে লাগল”।
এই ঘটনার পর আশেপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে উদ্ধার করে ওই ছাত্রীকে। লোকজন আসতে দেখে সেখান থেকে পালায় অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার কথা চাউর হতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই আপাতত চিকিৎসা চলছে নাবালিকার। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত যুবককে চিহ্নিত করা হচ্ছে।





