চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে রামচন্দ্রের জন্মের পরই মর্ত্যে অবতরণ হয় তাঁর পরমভক্ত বজরংবলীর। শাস্ত্র অনুযায়ী, চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ রাম নবমীর ঠিক ৬ দিন পর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বজরংবলী। এই উপলক্ষ্যে ধূমধামের সঙ্গে বজরংবলীর পুজো করা হয়। বজরংবলীর পুজো করলে ব্যক্তির জীবনের সমস্ত বাধা-বিঘ্ন দূর হয় এবং নিজের ভক্তদের মনস্কামনা পূরণ করেন তিনি। বজরংবলীকে সংকটমোচন বলা হয়। তাঁর পুজো করলে সমস্ত সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চলতি বছর কবে হনুমান জয়ন্তী। আবার এ দিন কোন উপায় ও মন্ত্রে তাঁকে খুশি করতে পারবেন তাও জেনে নিন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে ৫ মার্চ সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে। তার পর ৬ মার্চ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে শেষ হবে। উদয়া তিথি মেনে ৬ মার্চ হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে।
হনুমান জয়ন্তীতে কীভাবে প্রসন্ন করবেন বজরংবলীকে?
- হনুমান জয়ন্তীর দিনে সুন্দরকাণ্ড, হনুমান চালিসা, হনুমান অষ্টক ও বজরংবাণ পাঠ করা উচিত। এর পাশাপাশি রামায়ণ ও রামরক্ষা স্তোত্র পাঠ করেও শুভ ফল পেতে পারেন। এই উপায়ে শারীরিক ও মানসিক শক্তি লাভ করা যায়। ব্যক্তির পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
- এই তিথিতে হনুমান মন্দিরে গিয়ে বজরংবলীর যে কোনও মন্ত্র জপ করুন। তার পর ১১ বার হনুমান চালিসা পাঠ করবেন। তার পর গোলাপ বা জবার মালা পরিয়ে চামেলির তেলের প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করুন। এর ফলে অশুভ প্রভাবের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
জপ করুন হনুমান মন্ত্র
হনুমান জয়ন্তীর দিনে কিছু মন্ত্র পাঠ করলে বজরংবলীর আশীর্বাদ লাভ করতে পারেন। এই তিথিতে হনুমান মন্ত্র-সহ আর কোন কোন মন্ত্র জপ করবেন জেনে নিন-
ওম হনুমতে নমঃ
ওম আঞ্জনেয়ায় বিদ্মহে বায়ুপুত্রায় ধীমহি তন্নোঃ হনুমানঃ প্রচোদয়াত
ওম রামদূতায় বিদ্মহে কপিরাজায় ধীমহি তন্নোঃ মারুতিঃ প্রচোদয়াত
ওম অঞ্জনিসুতায় বিদ্মহে মহাবলায় ধীমহি তন্নোঃ মারুতিঃ প্রচোদয়াত





