হিমাচল প্রদেশের সিমলার মেয়ে প্রীতি জিন্টা। বর্তমানে কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের মালকিন তিনি। এখন তাকে সেভাবে বলিউড ছবিতে দেখা না গেলেও তআর উপস্থিতি এখনও সকলের নজর কাড়ে।
১৩ বছর বয়সেই নিজের বাবাকে হারান তিনি। এরপর থেকেই শুরু তার জীবনের স্ট্রাগল। ১৯৯৮ সালে মণিরত্নমের ‘দিল সে’ ছবি দিয়ে বলিউড যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর ‘কেয়া কেহনা’ ছবিতে অসামান্য অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়োন তিনি।
এরপর একে একে ‘সোলজার’, ‘চোরি চোরি চুপকে চুপকে’, ‘কোই মিল গয়া’, ‘কাল হো না হো, ‘সালাম নামাস্তে’, এসব হিট ছবি উপহার দেন তিনি। একসময় প্রীতি ছিলেন তরুণ যুবকদের চাহিদার পাত্রী। তার সেই টোল পড়া এক গাল হাসিতে ফিদা ছিলেন অনেকেই। এখনও তিনি সকলের কাছে সমান জনপ্রিয়।
আরও পড়ুন- একলা ঘর তাঁর দেশ, লকডাউনে অন্ধকার ঘরে বসে আপন মনে সময় কাটাচ্ছেন রানিমা দিতিপ্রিয়া
এতো কিছু ভালো থাকা সত্বেও নানানরকমের বিতর্কও কানে আসে তার নামে। তা কেন হবে না, বলিউড যে বিতর্কের আঁতুড় ঘর। এক সময় শোনা যায় যে আমির খান নাকি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন প্রীতিকে। সেই সময় আমির-প্রীতি অভিনীত ‘দিল চাহতা হ্যায়’ ছবিটি বক্স অফিসে দারুন হিট করে।
আমির ও প্রীতির অনস্ক্রিন রসায়নের সঙ্গে তাদের অফস্ক্রিন রসায়নও বেশ জমে ওঠে। আর এই সময়ই গুঞ্জন উঠে যে বলিউডের মিস্টার পারফেক্ট নাকি মজেছেন এই সুন্দরী নায়িকাতে।
দুজনের সম্পর্ক নিয়ে দর্শক মহলে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। তারা নাকি চুপিসারে বিয়ে সেরে ফেলেছেন এমন ঘটনার কথাও কানে আসে। কিন্তু অনেকেরই সন্দেহ ছিল আদৌ তাদের বিয়ে হয়েছে কী না, তা নিয়ে। ঠিক এই সময়ই আমির খানের প্রথম পক্ষের স্ত্রী-এর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। আর তাই আমির প্রীতির সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা আরও তুঙ্গে ওঠে।
আরও পড়ুন- ‘বাড়িতে কী একা?’ নেটিজেনের প্রশ্নের উপযুক্ত জবাব দিলেন ঋতাভরী
এই ঘটনা নিয়ে আমির বা প্রীতিকে প্রশ্ন করা হলে দুজনেই এই ঘটনা গুজব বলে উড়িয়ে দেন। নিজেদের একে অপরের খুব ভালো বন্ধু হিসেবেই মানেন তারা। কিন্তু তবুও বলিউডের অন্দরে তাদের নিয়ে গুঞ্জন রয়েই গেছে।





