অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakraborty) পড়তেন কলকাতার নামকরা স্কুলে। মিত্র ইনস্টিটিউশন নামটা অনেকেই জানেন, হ্যাঁ এই স্কুলেরই ছাত্র ছিলেন চিরঞ্জিত। স্কুল পেরিয়ে পরবর্তীকালে ভর্তি হয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই অভিনেতা নাকি জয়েন্টে দুর্দান্ত ব়্যাঙ্ক করেছিলেন। আর তাই চান্স পেয়ে গিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে।
গতকাল মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সকল ছাত্র-ছাত্রীরা ওয়েবসাইটের রোল নাম্বার দিয়ে তাদের ফলাফল জেনে নিয়েছেন ইতিমধ্যেই। প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্থান অধিকারীরা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের এই মাধ্যমিকের ফলাফলে। এসব দেখে তারকাদেরও মনে পড়ে গেছে পুরনো দিনের স্মৃতি। কেমন ছিল সেসব দিনটা। চিরঞ্জিতের (Chiranjit Chakraborty) মতো মেধাবী তারকারা দিয়েছেন অতীতের স্মৃতিতে ডুব। ছোটবেলা থেকেই বরাবর মেধাবী ছিলেন তিনি। তাই হয়তো জয়েন্টে ভালো ফল করতে পেরেছিলেন। স্কুলেরও নাম উজ্জ্বল করেছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে চিরঞ্জিতের (Chiranjit Chakraborty) কন্ঠে উৎফুল্লতা ধরা পরল। মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণার দিন তার মনে পড়ে গেছে পুরনো দিনের তার স্কুল বেলার কথা। প্রথমেই মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অভিনেতা। তারপর স্কুল জীবনের কথা মনে পড়তেই তিনি বলেছেন “আপনি তো আমাকে নস্ট্যালজিক করে দিলেন।”
অভিনেতা চিরঞ্জিত (Chiranjit Chakraborty) বরাবরই রসিক মানুষ। এখনকার মাধ্যমিকের মত ছিল না আগেকার মাধ্যমিক, সে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা বলেছেন, “আমি তো রামচন্দ্রের যুগে বোর্ড পরীক্ষা দিয়েছি। সেই সময় মাধ্যমিক ছিল না।” জানা গেছে, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী যখন বোর্ডের পরীক্ষা দিয়েছিলেন তখন সালটা ছিল ১৯৬৭। সেই সময় মাধ্যমিক পরীক্ষা ছিল না। ছিল ইন্টারমিডিয়েট। তখন ক্লাস ইলেভেনে একটা পরীক্ষা হতো সেটাই মূল পরীক্ষা ছিল। সেটাই তখন বোর্ড পরীক্ষা বলা হত। চিরঞ্জিত বলেন, “আমি ভালই ছিলাম পড়াশোনায়। ৬৬০ নম্বর পেয়েছিলাম ৮০০তে। ওই সময় আমাদের স্কুল মিত্র ইনস্টিটিউশনের রেকর্ড রেজাল্ট হয়েছিল। ওটা কেউ বিট করতে পারেনি।”
কিভাবে এত ভালো রেজাল্ট করেছিলেন অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakraborty), তা নাকি একটা গল্পের মতো। অভিনেতা জানিয়েছেন, তার বাড়ির পাশেই এক পড়ুয়া থাকতেন। চিরঞ্জিতের ঘর থেকে তার পড়ার ঘরটা দেখা যেত পরিষ্কারভাবে। তবে অপরদিকে ওই পড়ুয়ার ঘর থেকে চিরঞ্জিতের ঘরটা দেখা যেত না। চিরঞ্জিতের টার্গেট ছিল সেই পড়ুয়ার ঘরের আলো নিভলে তবেই তিনি ঘরের আলো নেভাবেন। অর্থাৎ পড়া শেষ করবেন। সেটা করতে গিয়েই অনেক বেশি পড়াশোনা করে ফেলেছেন তিনি। চিরঞ্জিত বলেছেন, “এটা একটা মজার বিষয় ছিল। আমার কিন্তু ওই জন্যই রেজাল্ট ভাল হয়েছে।”
সাক্ষাৎকারে অভিনেতা (Chiranjit Chakraborty) জানিয়েছেন এখনো স্কুলের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে তার। অভিনেতা জানান, “আমার স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ রেখেছি। আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। সেটার নাম–মিত্র আসর!”





