বাংলার নাট্যজগতে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে অনেক আগে থেকেই সোচ্চার হয়েছেন অনেকে। এবার মহিলাদের সুরক্ষার জন্য আবেদন জানালেন দামিনী বেণী বসু। তাঁকে সমর্থন করে এগিয়ে এলেন অভিনেত্রী চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় (Churni Ganguly)। এই ঘটনার প্রসঙ্গে শুক্রবার সমাজমাধ্যমে বছর কয়েক আগের ‘মিটু’-এর পোস্টের কথা উল্লেখ করেন চূর্ণী।
ইনস্টাগ্রামের সেই পোস্টে তিনি (Churni Ganguly) লিখেছিলেন, “আমি হয়তো ছোট ছিলাম, কিন্তু আমি ভুলিনি। শিশু নির্যাতনের এক নীরব শিকারের দীর্ঘ দিনের জমে থাকা কান্না! শুধু মাত্র বলতে পারিনি বলে এত বছর চুপ থাকা”। সেই পোস্টের কথা পুনরায় উল্লেখ করেছেন তিনি। উল্লেখ করে লেখেন, “অপরাধীর শাস্তি হয়নি। তবে আমার বিশ্বাস কর্মফল পাবে সে।”
বারো বছর বয়সে কিশোরী (Churni Ganguly) অভিনেত্রী নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। সেই ক্ষত আজও বুকে করে বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। অভিনেত্রী এখনও অপেক্ষা করে আছেন ওই ব্যক্তি ক্ষমা চাইবেন তাঁর কাছে। অভিনেত্রীর মতে, তাঁকে সারা জীবনের জন্য যে ক্ষত দিয়েছে, যে মানসিক আঘাত দিয়েছে সেটার জন্য অন্তত এটুকু সেই ব্যক্তি করতেই পারে। অভিনেত্রী লিখেছেন, “সে তো এই ভেবেই স্বচ্ছন্দে আছে যে, আমি ওর নাম প্রকাশ্যে আনতে পারব না। আর ঠিক এই কারণেই সে ১২ বছরের মেয়েটির সুযোগ নিয়েছিল, যে এখনও ঘটনাটি নিয়ে বিভ্রান্ত।”
ঘটনার স্মৃতি আজও টাটকা অভিনেত্রীর (Churni Ganguly) জীবনে। ঘর থেকে ছুটে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। গলা শুকিয়ে কাঠ, দ্রুত হৃদস্পন্দন নিয়ে ছুটে পালিয়েছিল ১২ বছরের কিশোরী। নিষ্পাপ ছোট্ট মেয়েটি সেই বিশ্বাস করেছিল অপরাধীকে।
অভিনেত্রী (Churni Ganguly) জানিয়েছেন, বেণী বসুর আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে তা করা হয়নি দেবীর জন্য। তাই ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি। বাকিদের নির্যাতনের প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন, “তবে শুধু নাট্যজগতেই নয়, সমাজের যে কোনও ক্ষেত্রেই মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভাবতে হবে”।
তিনি (Churni Ganguly) আরও লিখেছেন, “আমি অপেক্ষায় আছি, যদি কখনও ক্ষমা চাইতে আসে। যদিও আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে, ওর বিকৃত স্বভাবের কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না! ওর অঙ্গভঙ্গি নিয়ে আজও আমি বিরক্ত।”






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার