করোনা পরিস্থিতির জেরে এখন মানুষের জীবনে এসেছে এই আমূল পরিবর্তন। ‘নিউ নর্ম্যাল’-এর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আবার নতুন করে বাঁচতে শিখছে মানুষ। এই করোনা আবহেই বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানগুলিতেও এসেছে পরিবর্তন। বেশ কিছু ধর্মীয় স্থান এখনও ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত নয়। আর যেসব স্থানে ভক্তদের ভগবান দর্শনের অনুমতি রয়েছে, সেখানেও নানাবিধ নিয়মাবলী।
এই তালিকা থেকে বাদ পড়েনি মহাপ্রভু জগন্নাথের স্থানও। পুরী বলতেই যেন মানুষের এক আলাদাই ভাবাবেগ কাজ করে। পুরীর সমুদ্র সঙ্গে মহাপ্রভুর দর্শন, এই দুই মিলিয়ে বাঙালীর অনুভূতি চরম পর্যায়ের। কিন্তু এই অতমারির জেরে এখন কোথাও ঘুরতে যেতেও মানুষ পিছু হটছে। এদিকে আবার প্রভু জগন্নাথকে দর্শন না করতে পারার দুঃখও মানুষকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। এমন এক অতিমারির মধ্যে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার আশীর্বাদ বিশেষভাবে কাম্য। কিন্তু তা থেকে ভক্তগণ বঞ্চিত।
কিন্তু ভগবানকে চাক্ষুষ না দেখলেও তার উপস্থিতি সব জায়গাতেই। এবার তাই ভারচুয়ালি প্রভু জগন্নাথের দর্শন পেয়ে মুগ্ধ হলেন ভক্তকূল। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রভু জগন্নাথের পবিত্র আরতির ভিডিও শেয়ার হতেই তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দূর থেকেই ভিডিও দেখে প্রভুর আশীর্বাদ নিয়েছেন সকলে।
এই ভক্তদের মধ্যে রয়েছেন সদ্য মা হওয়া শুভশ্রীও। প্রভু জগন্নাথের পবিত্র আরতির এই ভিডিও দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তিনি। ভিডিওর নীচে কমেন্ট বক্সে লিখেছেন ‘জয় জগন্নাথ’। এই করোনার মধ্যেই মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। তার সদ্যজাত সন্তান ইউভানের জন্য নিশ্চয় মহাপ্রভুর কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন শুভশ্রী।
প্রসঙ্গত, এই বছর করোনা পরিস্থিতির জেরে পুরীতে রথযাত্রা উৎসব নিয়ে ধন্দে ছিলেন সকলেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রভুর আশীর্বাদে সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা হয়েছিল। কিন্তু এই বছর সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেননি সাধারণ মানুষ। তাই টেলিভিশনের পর্দাতেই প্রভুর রথযাত্রা দেখেছিলেন ভক্তগণ।
https://twitter.com/subhashreesotwe/status/1320989801877700609?s=20





