বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় জুটি ছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও কৌতুক অভিনেতা মুকরি। ‘লাওয়ারিস’, ‘শরাবি’, ‘কুলি’সহ একাধিক ছবিতে তাঁদের অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছিল। শুধু অমিতাভ নন, জয়া বচ্চনের সঙ্গেও ‘পিয়া কা ঘর’ ছবিতে কাজ করেছিলেন মুকরি। তবে তাঁর মৃত্যুর পর বচ্চন পরিবারের আচরণ নিয়ে বহু বছর পর মুখ খুলেছেন মুকরির মেয়ে নাসিম মুকরি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাসিম দাবি করেন, ২০০০ সালে মুকরির মৃত্যুর পর অমিতাভ বা জয়া বচ্চন কেউই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এমনকি শেষকৃত্যে উপস্থিত হওয়া তো দূরের কথা, সমবেদনা জানিয়ে একটি ফোনও করেননি বলে অভিযোগ তাঁর। এই ঘটনা এখনও তাঁদের পরিবারের মনে কষ্টের কারণ হয়ে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নাসিম আরও বলেন, এক সময় অমিতাভের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। সংগ্রামের দিনগুলোতে অমিতাভ নাকি প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে আসতেন। মুকরি ও জয়া বচ্চনের মধ্যেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল এবং একসঙ্গে ছবির শুটিংয়ের সময় সবাই পরিবারের মতোই সময় কাটাতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আর আগের মতো থাকেনি বলে তাঁর দাবি।
সাক্ষাৎকারে নাসিম ঋষি কাপুরের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গভীর রাতে টেলিভিশনে মুকরির মৃত্যুর খবর জানার পর পরদিন ভোরেই ঋষি কাপুর তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে যান। দরজা খুলতেই তাঁকে শিশুর মতো কাঁদতে দেখা যায়। ‘অমর আকবর অ্যান্টনি’সহ একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে মুকরির সঙ্গে ঋষি কাপুরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ ‘হু ইজ কেকে’র পর, হু ইজ দেব?’ দাদাগিরির মঞ্চে অকপট রূপঙ্কর বাগচী! এবার টলিউড মেগাস্টারের নামে মন্তব্য করতেই ফের বিতর্কে জড়ালেন গায়ক?
সবশেষে নাসিম বলেন, চলচ্চিত্র জগতের সম্পর্ক অনেক সময় কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। যতদিন একসঙ্গে কাজ বা জনপ্রিয়তা থাকে, ততদিনই যোগাযোগ বজায় থাকে। কাজ শেষ হয়ে গেলে অনেক সম্পর্কই ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।






