‘এখন ইমোশনের দাম কমে গেছে, আমি না খুব বোকা’, কেন নিজেকে বোকা বললেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু?

টেলিভিশন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু (Anjana Basu)। তিনি দাপিয়ে কাজ করেছেন ধারাবাহিকে। অভিনেত্রী অঞ্জনা বসুর ডাক নাম টুম্পা, এই নামটা বলতে লজ্জা পান তিনি। ভয় পান কোন সাবজেক্টে এর উত্তরে অভিনেত্রী বলেছেন সব সাবজেক্ট। তিনি কি পড়াশোনা অপছন্দ করতেন তেমনটা নয়। অভিনেত্রীর পছন্দের সাবজেক্ট সাইকোলজি। অভিনেত্রী নিজে যদি কোনও ব্র্যান্ড হন, তবে তিনি তার ট্যাগলাইন দিতে চাইবেন বোকা। কেন এই ট্যাগলাইন এর উত্তরে তিনি জানান, “আমি খুব বোকা কারণ আমি খুব ইমোশনাল। এখন ইমোশনের দাম কমে গেছে, তাই আমি বোকা।”

কোন কাজটা এখনই করে নিতে চান, এর উত্তরে অঞ্জনা বসু (Anjana Basu) জানান, “আমি প্রচুর কাজ করতে চাই তাই জিন্দেগি না মিলেগি দুবারা নয়, অনেকবার পাবো।” কলেজ জীবনে কত প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছেন অভিনেত্রী। অঞ্জনা বসু জানান, “তখন আমি একটা ক্যাবলা টাইপের ছিলাম, ভীষণ ভয় পেতাম। হাত পা কেঁপে একশা হয়ে যেতাম। আমার মনে আছে দাদার বন্ধু খুব সাহস করে আমার একটা চিঠি দিয়েছিল, আমি এত ভয় পেয়ে গেছিলাম যে আমি চিঠিটা নিয়ে দাদাভাইকে দিয়ে দিয়েছিলাম। দাদা ভাই তাকে এত বকাবকি, মারধর করেছিল যে সে টিউশন ছেড়ে দিয়েছিল।”

অভিনেত্রী অনেক ছোটবেলা থেকেই রোজগার করেন, প্রথম রোজগার করেছেন ক্লাস সেভেন এইটে টিউশন পড়িয়ে। ছোটবেলায় থেকেই কি অভিনেত্রী হতে চাইতে অঞ্জনা বসু (Anjana Basu), তিনি বলেন, “অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন ছিল তবে তার থেকেও বড় কথা আমি এমন কিছু কাজ করব, যেটা সবার থেকে একটু আলাদা হবে।”

প্রথম সিনেমা হলে সিনেমা দেখার কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু (Anjana Basu) একটি অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, “ক্লাস এইটে মায়ের সাথে সিনেমা দেখতে গিয়েছি। আমি, দাদাভাই, মা, মাসতুতো দিদি গিয়েছি। তখন তো যে কেউ টিকিট কেটে নিয়ে আসতো। আমরা যেদিন দেখতে গেছি সেদিন থেকেই শুরু হয়েছে বেতাব। সেদিনই শো চেঞ্জ হয়ে গেছে, আর টিকিট কাটা হয়ে গেছে কিছু করার নেই। প্রচন্ড একটা রোমান্টিক সিনেমা দেখছি, পাশে মা, একদম সিটিয়ে বসে দেখেছিলাম।”

অভিনেত্রীর (Anjana Basu) স্মরণীয় জন্মদিন কোনটি এই প্রসঙ্গে অঞ্জনা বসু বলেন, “২০১৭ তে আমার জন্মদিনে আমার একটা ছোট প্রোডাকশন হাউজ আছে সেখানকার সমস্ত স্টাফেরা মিলে আমার বন্ধু-বান্ধব, আমার ভাই, ছেলে, বর সকলকে এক জায়গায় করেছিল আমি কিছু জানতাম না। আমি বাইরে ছিলাম, আমাকে ফোন করে বলেছিল যে তোমাকে একবার এক্ষুনি অফিসে আসতে হবে। আমি গেছি সমস্ত অন্ধকার, আমি বুঝতে পারিনি। তারপর একজন বেরিয়ে এল বলল যে আমি আছি, ম্যাডাম বলুন। তারপরে একেকজন একেকটা দরজা থেকে ছুটে আসছে আমার কাছে সবাই আমার প্রাণের মানুষ।”

RELATED Articles