‘যা ছিলনা ছিলনা তা না পাওয়াই থাক, সব পেলে নষ্ট জীবন’, ২৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে মা ডাক না শোনার যন্ত্রণাই কী কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে অপরাজিতাকে?

টলিপাড়ায় অপামাকে (Aparajita Auddy) প্রায় সকলেই চেনেন। বাংলা টেলিভিশনের আদর্শ মা তিনি। কখনও জন্মদাত্রী আবার কখনও পালিতা মা হিসাবে দর্শকদের নজর কেড়েছেন অপরাজিতা আঢ্য। বর্তমানে ‘জল থৈ থৈ ভালোবাসা’ কোজাগরীর চরিত্রে অপরাজিতা আঢ্যর (Aparajita Auddy) রূপে মুগ্ধ দর্শকরা। শুধুমাত্র ধারাবাহিক নয় বহু সিনেমায় মায়ের ভূমিকা অভিনয় করেছেন তিনি। চিনি, একান্নবর্তী মত ছবিতে মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করে অনুরাগীদের মন জয় করেছেন। যিনি টিভির পর্দায় মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন বাস্তব জীবনে নিজের সন্তানের মুখে মা ডাক শোনার সুযোগ হয়নি তার। স্বামী অতনু হাজরার সাথে ২৬ বছরের সুখী দাম্পত্য তার। শ্বশুরবাড়ির সকলকে নিয়ে বেশ খুশিতে থাকেন বৌমা অপরাজিতা (Aparajita Auddy)

অপরাজিতা (Aparajita Auddy) অভিনয়ের দক্ষতায় দর্শকদের মন জয় করেছেন। তাকে ভালোবাসেন তার সহকর্মীরাও। সারাক্ষণ হাসিমুখে সবকিছু সামলে নেন তিনি। তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ফলোয়ার্সের সংখ্যা কম নয়। ‌সম্প্রতি, বেগুনি সিল্কের শাড়ি পড়ে, স্ট্রেট করা খোলা চুলে সে যে ছবি পোস্ট করেছেন অপরাজিতা আঢ্য। গায়ে সোনার গয়না,মুখে সেই হাসি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, “যা ছিলনা ছিলনা তা না পাওয়াই থাক সব পেলে নষ্ট জীবন।”

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Aparajita Adhya (@adhyaaparajita)

সফল অভিনয় কেরিয়ার, সুখের দাম্পত্য জীবনেও কিছু না পাওয়ার হয়ে গেছে অভিনেত্রী অপরাজিতার। অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy) ও অতনু হাজরার নিজেদের কোন সন্তান নেই। অপরাজিতাকে ভালোবাসেন তার স্বামী, শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকটা লোকই। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন তার নিজের সন্তান না থাকলেও তাকে মা ডাকার অভাব নেই। তিনি গার্গীর যশোদা মা। অনেকে জানেন না অপরাজিতার এই মেয়ের কথা। তার কাছের মানুষেরা জানেন তার মেয়ে গার্গীর কথা। গার্গী পেশায় ব্যাঙ্কার। অপরাজিতাকে মা এবং তাঁর স্বামী অতনু হাজরাকে বাবা বলে ডাকে সে।

গার্গীর প্রসঙ্গে অভিনেত্রী (Aparajita Auddy) বলেছেন, “আজ যদি আমার বায়োলজিক্যাল সন্তানও থাকত, তা হলেও সে কোনওদিন বোধহয় গার্গী হয়ে উঠতে পারত না। আমার স্বামী মাঝে ১০ দিন হাসপাতালে ছিলেন, গার্গী কিন্তু টানা হাসপাতালে ছিল।”

উল্লেখ্য,‌গার্গী নিজে জানিয়েছিলেন, ১৬-১৭ বছর বয়স থেকে তিনি অপরাজিতার (Aparajita Auddy) কাছেই থাকেন। ২০ বছর ধরে সেখানেই থাকেন তিনি। বাপি আর মামণি (অতনু আর অপরাজিতা)-কে ছেড়ে বিয়ে করার কথাও ভাবতেই পারেন না গার্গী। সংবাদমাধ্যমে গার্গী জানিয়েছেন,”বহুদিন একসঙ্গে থাকতে থাকতে আমি এই (অপরাজিতা ও অতনু) দুজনের মতোই দেখতে হয়ে গিয়েছি।”

RELATED Articles