‘অঞ্জন চৌধুরী, স্বপন সাহাকে গালাগালি দেওয়া শুরু হল, বাংলা ছবি হারিয়ে গেল’, বাংলা ছবির মান পড়ে যাওয়ার জন্য কাকে দায়ী করলেন চিরঞ্জিত?

Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry: অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty) টলিপাড়ার এক অনন্য মুখ। তার অভিনয়ের দাপটে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। একের পর এক দর্শকদের উপহার দিয়েছেন হিট ছবি। সম্প্রতি নন্দিতা শিবপ্রসাদের উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থা, পথিকৃৎ বসুর পরিচালনায় প্রকাশ্যে আসবে দাবাড়ু। এই সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে চিরঞ্জিত চক্রবর্তীকে (Chiranjit Chakroborty)

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কমার্শিয়াল ছবি নিয়ে কথা বলেন অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty)। বাংলাতে ভালো ছবি আর হয় না এই অভিযোগ বারবার সাক্ষাৎকারে করেছেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী তবে পিছনে কোন কারণ রয়েছে বলে অভিনেতা মনে করছেন (Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry)। অভিনেতা বলেছেন বাংলা ছবির মান পড়ে গিয়েছে। চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বলছেন, “এটা আসলে হারিয়ে গেল। যে কোনও একটা ট্রেন্ড থাকে তো। সাবলীল হয়ে গেছিল যে ধরনের কমার্শিয়াল ছবি। করছিলাম সে সবকিছু। মাঝে বলা হলো জঘন্য ছবি। স্বপন সাহা জঘন্য, অপদার্থ। অঞ্জন চৌধুরীকে এমন গালাগালি করল বাকি যারা ছিল সুজিত, হর এরা সব পিছিয়ে গেল। টেলিফিল্ম মেকার যারা খুব ভালো টেলিফিল্ম বানাত কৌশিক গাঙ্গুলি, অতনু এরা সবাই ফ্রন্টে এসে গেল। মাস, একটা রকম ছবি পছন্দ করে। যার ফলে হলগুলো উঠে গেল, দর্শকরা পিছিয়ে বেরিয়ে গেল” (Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry)

সাক্ষাৎকারে উঠে এলো এখনকার নায়কদের নিয়ে বহু কথা। এখনকার নায়কদের কেমন মনে করেন চিরঞ্জিত (Chiranjit Chakraborty) সে প্রসঙ্গে ও কথা বললেন সাক্ষাৎকারে। ইন্ডাস্ট্রিতে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন চিরঞ্জিতকে.. যিনি দেব বা জিৎকে নিয়ে একটি কমার্শিয়াল ছবি করবেন। এই প্রসঙ্গে চিরঞ্জিত (Chiranjit Chakroborty) জানিয়েছেন, “করতেই পারি, তবে হল নেই। ৪০ টা হলে টাকা উঠবে না। বেদের মেয়ে জোসনার মত বড় হিট কোনো মতে হবে না। সাড়ে সাতশো হাউজে যে বেদের মেয়ে জোৎস্না হয়েছে ৪০ টা হলে সেটা বেদের মেয়ে জোৎস্না হবে কী‌করে? হবেই না। হতেই পারেনা। অসম্ভব। দোকান নেই মাল বেচবো কি করে আমি। সাড়ে সাতশো হাউসে আমার একটা প্রোডাক্ট বিক্রি হয় আর সেটা ৪০ টা দোকানকে দিতে হবে। সেটা সুপারহিট হবে কি করে। থেমে যাচ্ছে ওই কারণে, হাউস নেই” (Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry)। ‌

অভিনেতা (Chiranjit Chakroborty) আরও জানিয়েছেন, “ওদেরকে নিয়ে ছবি করাই যায় (Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry)। তবে বড় কোন ছবি না হলেও কেঁচো খুঁড়তে কেউটে ২ করার ইচ্ছে রয়েছে। আমি দুমাসের জন্য ইউএসএ যাচ্ছি। ইচ্ছা রয়েছে ফুল স্ক্রিপ্ট বানিয়ে ফেলবো।‌কেঁচো খুঁড়তে কেউটে পার্ট ২ বানিয়ে ফেলবো”।

কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ইন্ডাস্ট্রি জীবন নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা। ‌চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty) যখন কাজ করতেন তখন সিনেমার ধারা এতটা প্রবাহিত হয়নি। গল্পে নতুন নতুন কোন সংযোজন আসেনি সে সময়ে। সে নিয়ে কি আফসোস রয়েছে অভিনেতার। চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty) বলছেন, “এটা আফসোসের প্রশ্ন নয়। আমরা মাসের সঙ্গে তাদের মনের সঙ্গে ছবি করতে পেরেছি। আমরা কোটি কোটি টাকা ইন্ডাস্ট্রিকে এনে দিয়েছি আমার সময় আমি ২০ টা আর হাউস ওপেনিং করেছি। তখন ৭৫০ হাউস ছিল এখন সেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৪০। এখন হাউজ বন্ধের সময়। এখনকার অনেক রকমের ছবি হয়। এখন অ্যাক্টর নিয়ে ছবি হয়, সুপারস্টার দিয়ে ছবি হয় না। সুপারস্টার না থাকলে এমনি চেহারা হবে। এখন মিক্স শেড একটা ব্যাপার আছে” (Chiranjit Chakroborty talk about Bengali film industry)

RELATED Articles