চারিদিকে লেগে গিয়েছে পুজোর হাওয়া। আর বেশি দিন বাকি নেই শুরু হবে পুজোর মরসুম। প্রত্যেক বছরই দুর্গাপূজা ও কালী পূজা উপলক্ষে গান ও মিউজিক ভিডিও বেরিয়ে থাকে। এবছর পুজোর আগে শ্যামা সঙ্গীত রেকর্ড করলেন নচিকেতা চক্রবর্তী। এই প্রথমবার শ্যামা সঙ্গীত গাইতে শোনা যাবে শিল্পীকে।
গানের নাম ‘তোকে শ্যামা’। লিখেছেন গোবিন্দ প্রামাণিক। সুর বাজিয়েছেন রাজকুমার রায়। পুজো মানেই থাকবে সেখানে নতুন অ্যালবাম, নতুন মিউজিক ভিডিও, নতুন গান। যার জনপ্রিয়তা বেশ ভালোই। একসময় মুম্বাই থেকে সঙ্গীতশিল্পী আসতেন অ্যালবাম ও মিউজিক ভিডিওর গান রেকর্ড করতে। এখন সেরম উন্মাদনা না থাকলেও, পুজোর আগে গান রেকর্ড করা ও তা রিলিজের চল হয়েছে।
স্টুডিওতে এই প্রথমবার শ্যামা সঙ্গীত গানের রেকর্ডিং করলে নচিকেতা। গানটি চ্যালেঞ্জিং ছিল এই জনপ্রিয় গায়কের জন্য। কারণ তিনি সাধারণত যে ধরনের গান গেয়ে থাকেন, তার থেকে পুরোপুরি আলাদা শ্যামা সঙ্গীত। দৈনন্দিন জীবনের উপর ভিত্তি করে তাঁর গান হয়ে থাকে। ‘নীলাঞ্জনা’, ‘অনির্বাণ’, ‘ডাক্তার’, ‘বৃদ্ধাশ্রম’-এর মত গান গেয়েছেন তিনি। সবার মুখে মুখে তাঁর এই গানগুলি প্রচলিত।
এখনও পাটুলির অন্যতম ল্যান্ডমার্ক চা ও নচিকেতা। দুটি চায়ের স্টল পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ এই ধরনের গান গাওয়ার শখ জাগল কেন নচিকেতার? যে এত বছর ধরে শুধু জীবনমুখী গান গেয়েছেন, তাঁর মুখে শ্যামা সঙ্গীত! খুশির সঙ্গে অবাক হয়েছেন অনেকেই। ২০১৯ সালে সাত দিনব্যাপী মেলা হয়েছে নচিকেতার নামে। হাওড়ায় আমতা ৮০০টি আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম তৈরি হয়েছে শিল্পীর নামে। এমন একজন শিল্পীর সঙ্গে কাজ করতে পেরে নিজের খুশি জাহির করেছেন রাজকুমার রায়।
পাশাপাশি আগেই সামনে এসেছিল, এই বছরই নিজের সিঙ্গেল বার করছে নচিকেতার মেয়ে ধানসিঁড়ি চক্রবর্তীও। গত শনিবার ডিজিটাল দুনিয়ায় রেকর্ডিং সেরেছেন। গানটিতে থাকবে ব়্যাপের মিশ্রণ। গানটি কম্পোজ করেছেন ইন্দ্রজিৎ দে। লিখেছেন পৃথ্বীশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বাবা-মেয়ের গান একই সঙ্গে শোনা যাবে চলতি বছরের পুজোর মরসুমে।





