মহানায়ক উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মীপুজো, নিষ্ঠা ভরে যজ্ঞ-আরাধনায় মগ্ন গৌরব দেবলীনা

মেজাজটা একইরকম রয়ে গেছে, শুধু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে মানুষজন, পুজোর জাঁক। শোনা যায়, উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মীদেবীর মুখ নাকি মহানায়কের স্ত্রী গৌরীদেবীর মুখের আদলে তৈরি হত। এখনও সেই প্রথাই বর্তমান। পুজোয় আসতেন বহু মানুষ। বসত জমজমাটি আসর।

 

View this post on Instagram

 

Subho kojagori Lokkhipujo🙏🏼🙏🏼

A post shared by Devlina Kumar (@devlinakumar) on

জানা যায়, মহানায়কের সময় লক্ষ্মীপুজোর দিনে তার বাড়িতে ভিয়েন বসত। পুজোর আগের দিন বউবাজার থেকে ছানা আনানো হত। পুজোর দিন বাড়িতেই তৈরি হত মিষ্টি। পুজোর দিন ভোরে সকলে মিলে স্নান সারতে যেতেন আদি গঙ্গায়। মহানায়ককে একবার দেখার জন্য কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমাতেন বাড়ির সামনে। তিনি কিছুক্ষণের জন্য বারান্দায় এসে ভক্তদের দেখা দিতেন। লক্ষ্মীদেবীর আরাধনায় যেন নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতেন মহানায়ক।

 

View this post on Instagram

 

📷 @jupiterbanerjee

A post shared by Gourab Chatterjee (@baruog) on

এখন তিনি নেই, কিন্তু রয়ে গেছে তার বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোর রীতি। অত বেশী জাঁকজমক না হলেও উত্তমকুমারের বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর কথা কারোর অজানা নয়। এখনও সেই পুরনো রীতি, নিয়মকানুন মেনেই লক্ষ্মীদেবীর আরাধনা হয়। তবে ভিয়েন বসা বা বাড়িতে মিষ্টি তৈরির চল আর নেই। কিন্তু মহানায়ক না থাকলেও একইরকমভাবে লক্ষ্মীদেবীর আরাধনায় মগ্ন থাকতে দেখা গেল তাঁর নাতি গৌরব চট্টোপাধ্যায়কে।

ধুতি পরে পুজোর আসনে বসে ধনদেবীর পুজো করেন গৌরব। জোড় পরে হোম যজ্ঞও করতে দেখা গেছে তাকে। পরম নিষ্ঠায় পালন করে চলেছেন প্রতিটি নিয়ম ও আচার অনুষ্ঠান। তাকে ঘিরে তার দিদি, বোন, ভাই। কিন্তু এই বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেকেই উপস্থিত থাকতে পারেননি ভবানীপুরের বাড়ির এই পুজোয়।

RELATED Articles