বড়পর্দায় নব্বই দশকের সেই পারিবারিক ছবিগুলি বড়ই মন জয় করেছে বাঙালি দর্শকদের। আধুনিকতার ফাঁকে কোথাও যেন সেই ছবিগুলি এবং সেই বিষয়বস্তুগুলি ফিকে হয়ে গিয়েছে আজকের দুনিয়ায়। আর সেইসঙ্গে হীরক জয়ন্তী, মেজবউ, গীত সংগীত, লোফার এর মতো একাধিক ছবির স্রষ্টা অঞ্জন চৌধুরী থেকে গিয়েছেন আড়ালে। বাঙালি দর্শককে হলমুখী করার অন্যতম পথিকৃৎ তিনি। অথচ তাকেই যোগ্য সম্মান দিলো না ইন্ডাস্ট্রি এমনই ক্ষোভ মেয়ে রিনা চৌধুরীর।
বাবার হাত ধরেই অভিনয় জগতে ডেবিউ করেন দুই মেয়ে রিনা এবং চুমকি। রিনা চৌধুরীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমা ‘পূজা’। তবে বাবার মৃত্যুর পর অভিনয় জগত থেকে সরে যান এই নায়িকা। এত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির বিরুদ্ধে নানা খুব মনে পুষে রেখেছিলেন রিনা। এবার তা প্রকাশ পেলো। অভিমানের সুরে রিনা চৌধুরী জানালেন ইন্ডাস্ট্রি বেইমান। পরিচালককে যোগ্য সম্মান দেয়নি। একসঙ্গে অঞ্জন চৌধুরী না থাকলে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়ে যেত। কিন্তু কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে নিয়ে কেউ কোনও কথা তোলেনি। এমনকি কেউ তাঁকে নিয়ে কিছুই বলেনি বলেই অভিযোগ রিনা চৌধুরীর।
পরিচালক হিসেবে ডেবিউ করতে চলেছেন রিনা। আর সেই সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে থাকবেন দিদি চুমকি চৌধুরী। সিনেমার নাম ‘অমর প্রেমকথা’। চুমকির বিপরীতে অভিনয় করবেন রিনার স্বামী এবং অভিনেতা রাহুল গোস্বামী। বাবার পথ ধরেই ছোট মেয়ে পরিচালক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন। আর বোনের সঙ্গে কাজ করে বাবার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করছেন অভিনেত্রী চুমকি।





