টলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তী এখন শুধুমাত্র চলচ্চিত্র পরিচালক নয়, বরং তিনি একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও পরিচিত। তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হওয়ার পর থেকেই, রাজকে সঙ্গ দিচ্ছেন তার স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী, যিনি শুধু ব্যক্তিগত জীবনে তার সঙ্গী নন, বরং রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার শক্তিশালী সমর্থক। রাজ চক্রবর্তী বর্তমানে ব্যারাকপুরে ফের নির্বাচনী প্রচারে রয়েছেন। এখানে, তার পাশে দাঁড়িয়ে শুভশ্রী গাঙ্গুলী আবেগঘন ভাষণ দেন, যা রাজনৈতিক দুনিয়াতে এক নতুন উদাহরণ তৈরি করেছে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করেন। এ বছর আবারও নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি ব্যারাকপুরে প্রচারে বের হয়েছেন। সেখানে, তার সঙ্গে রয়েছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী, যিনি নিজের অভিনয়ের জন্য পরিচিত। তবে এবার তিনি স্বামীর রাজনৈতিক জীবনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তার উপস্থিতি শুধু এক ব্যক্তিগত সমর্থন নয়, বরং রাজনীতির দৃশ্যপটে এক নতুন শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শুভশ্রী তার ভাষণে ব্যারাকপুরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আমি খুবই খুশি যে এখানে এসে ব্যারাকপুরের মানুষের কাছ থেকে এত ভালোবাসা পেয়েছি। তাদের সমর্থন আমার জন্য অমূল্য।” এরপর তিনি আরও যোগ করেন, “আমার প্রথম বাড়ি বর্ধমানে, দ্বিতীয় বাড়ি কলকাতায় এবং তৃতীয় বাড়ি হলো ব্যারাকপুর। এখানে এসে আমি সত্যিই খুব ভালো অনুভব করছি, কারণ এখানকার মানুষ আমাদের আপন করে নিয়েছেন।”
রাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক জীবনে শুভশ্রীর এই অবিচল সমর্থন তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। একদিকে রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুরের উন্নয়নে কাজ করছেন, অন্যদিকে শুভশ্রী গাঙ্গুলী তার অভিনয়ের ক্যারিয়ার ছাড়াও স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করছেন। এই দম্পতির সম্পর্ক শুধু পারিবারিক নয়, বরং রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। তারা একে অপরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই রাজনৈতিক যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘‘৪ তারিখের পর বেছে বেছে ব্যবস্থা… ওরা শুরু করেছে, শেষ করব আমি’’ মিতালী বাগের উপর হাম*লায় আরামবাগ থেকে তী*ব্র ক্ষো*ভ উগরে বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের!
রাজ চক্রবর্তী জানেন, তার রাজনৈতিক যাত্রা শুভশ্রীর ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া অসম্পূর্ণ। শুভশ্রীর এই অবিচল সঙ্গতিতে, রাজ চক্রবর্তীর রাজনৈতিক পদক্ষেপে তার পরিবার এবং ব্যারাকপুরের সাধারণ মানুষদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি আরও দৃঢ় হয়েছে। একত্রে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যা শুধু তাদের সম্পর্কের শক্তিকেই তুলে ধরেছে, বরং তা একটি সুন্দর রাজনৈতিক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।





