এখনও কাঞ্চন-শ্রীময়ীর বিয়ের বছর পূর্ণ হয়নি। তার আগেই মেয়ে জামাইকে (Kanchan Mullick) জামাইষষ্ঠী খাওয়ালেন শ্রীময়ীর মা। লুচি, ছোলার ডাল, কাতলা মাছের মাথা থেকে শুরু করে পোলাও, মাংস-কী নেই পাতে। মিষ্টিমুখের জন্য রয়েছে পায়েস, দই, মিষ্টি। কিন্তু এত আনন্দ আয়োজনের মাঝেই বিরহের সুর।এখনও মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে উঠতে পারেননি কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick)। কাঞ্চন ব্যস্ত রয়েছেন কাজে। তাতেই একাকিত্বে ভুগতে শুরু করেছেন কাঞ্চনের স্ত্রী শ্রীময়ী। এমন চলতে থাকলে বিচ্ছেদের কথা ভাবতে দুবার ভাববেন না অভিনেত্রী। যদিও মজার ছলেই অভিনেত্রী এমনটা বলেছেন।
কিন্তু স্বামী নিজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ রাখতে নারাজ। কাঞ্চন (Kanchan Mullick) বলেন, “তুমি আমার মধু, আকাশে আছে চাঁদ, এইখানেই মধুচন্দ্রিমা।” তবে শ্রীময়ী জানিয়েছেন, তিনি উপহার পেতে ভালবাসেন। তা সে যত সামান্য উপহারই হোক না কেন, তাকে নিয়মিত চমকে দিতে হবে। কিন্তু কাঞ্চন সব ভুলে যান, জন্মদিন বা অন্য কোনও বিশেষ দিনে উপহার দেওয়ার কথা মনেই থাকেনা বিধায়কের। জামাই মেয়ের কান্ড কারখানা দেখে হাসছেন কাঞ্চনের (Kanchan Mullick) শ্বাশুড়ি মা। জামাইকে ধুতি-পাঞ্জাবি উপহার দিয়েছেন শ্রীময়ীর মা। মেয়ে অভিযোগ করলেও, মা-বাবার জন্য উপহার আনতে মোটেই ভোলেননি কাঞ্চন। অভিনেতা (Kanchan Mullick) বলেন, “বয়স যত বাড়ে, উপহার দেওয়ার মানুষের সংখ্যা কমে যায়। তাই জামাইষষ্ঠীর দিনে শ্বশুর-শাশুড়িকে উপহার দেওয়া দরকার।”
শ্রীময়ীদের বাড়িতে একেবারে রীতি মেনে হয় জামাইষষ্ঠী। শুধু ভুরিভোজ নয়, বিশেষ কিছু রীতিনীতি রয়েছে শ্রীময়ীর বাড়িতে। জামাইয়ের হাতে তুলে দিতে হয় কাঁঠাল পাতায় পাঁচ ফল, নতুন জামাকাপড়। হাতে বেঁধে দিতে হয় হলুদ সুতো, আর পাখার বাতাস করে শাশুড়ি বলেন, ‘ষাট্ ষাট্ ষাট্’। কাঞ্চনের (Kanchan Mullick) জন্য আসানসোল থেকে জামাইয়ের জন্য এসেছেন মাসিশাশুড়িও। শ্রীময়ী বলেন, “আসলে আমার মা-মাসিরা চার বোন। সকলেরই ছেলে, শুধু আমার মায়ের দুই মেয়ে। তাই মাসি চেয়েছিল এই জামাইষষ্ঠীতে যোগ দিতে।”
কাঞ্চনের (Kanchan Mullick) নতুন জামাইষষ্ঠী একেবারে জমজমাট। শাশুড়ি খাইয়ে দিলেন পোলাও, কাঞ্চনের আবদারে খাওয়ালেন ছানার কোফতাও। কাঞ্চনকে (Kanchan Mullick) মাছের মাথা খাইয়ে দিলেন শ্রীময়ী। শ্রীময়ীকে নিজের হাতে পোলাও খাওয়াতে দেখা গেল কাঞ্চনকে (Kanchan Mullick)। তবে ষষ্ঠীর সকালেও একের পর এক কাজে ব্যস্ত নতুন জামাই। এই নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন শাশুড়িমাও। কাঞ্চন কথা দিয়েছেন বিকেলে ফিরবেন শাশুড়ির কাছে। ততক্ষণ অপেক্ষা করবেন শ্রীময়ীর মা। সন্তানের মঙ্গল কামনায় এই রীতি পালন হচ্ছে ঘরে ঘরে।





