‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর ভূয়সী প্রশংসা কঙ্গনার, এরই সঙ্গে বলিউডের ‘চামচাদের’ কটাক্ষ, ‘ওদের সময় শেষ’

গত শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’। মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিস কাঁপাচ্ছে এই ছবি। ইতিমধ্যেই অনেক সাফল্য পেয়েছে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’। সিনেমা হল হাউজফুল যাচ্ছে। ছবির অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শও এই ছবির বেশ প্রশংসা করেছেন। এবার ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ নিয়ে মুখে খুললেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানওয়াত। বলিউডকেও তোপ দাগলেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বেশ চাঁচাছোলা ভাষাতেই কঙ্গনা লেখেন, “এত দুর্দান্ত সাফল্য পাওয়া সত্বেও দ্য কাশ্মীর ফাইলস নিয়ে বলিউডের অন্দরে কোনও টুঁ শব্দ কেউ করছে না।পিন পড়লে শব্দ শোনা যাবে, এতটাই নিঃশব্দতা এই ছবিকে ঘিরে এখানে। অথচ ব্যবসার নিরিখে তো বটেই, সমালোচকদের থেকেও দারুণ প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে এই ছবি। বর্তমানে একমাত্র বড় বাজেটের ছবিই বড়পর্দায় হিট করবে, এই ধারণা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এই সিনেমা। বিরাট অংশের দর্শককে ফের হলমুখী করে তুলতে দারুণ সফল হয়েছে এই ছবি। বহু মাল্টিপ্লেক্স-এ ভোর ৬টার শো-ও হাউজফুল, যা এককথায় অবিশ্বাস্য”।

‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর ভূয়সী প্রশংসা কঙ্গনার, এরই সঙ্গে বলিউডের ‘চামচাদের’ কটাক্ষ, ‘ওদের সময় শেষ’

তবে এখানেই থেমে থাকেন নি কন্ট্রোভার্সি কুইন। নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভাষাতেই বলিউডকে তোপ দেগে করে অভিনেত্রী লেখেন, “আর এই যে বুলি দ্য উড (বলিউডকে কটাক্ষ করে এই নামেই ডাকেন কঙ্গনা) এবং তাঁর চামচার দল মনে হয় এই ছবির সাফল্য দেখে চমকে চোদ্দ হয়ে গিয়েছে। একটা কথা কেউ বলছে না এই ছবি নিয়ে। সারা জায়গার রমরম করে এই ছবি চলছে, তবু এই ছবি তারা দেখছে না। কিছু বলছে না! আসলে, তাদের সময় শেষ”।

বলে রখি, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির বিষয়বস্তু হল কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। তাদের উপর হওয়া অত্যাচার, ১৯৯০ সালে তাদের কাশ্মীর ছেড়ে চলে যাওয়ার কাহিনীর প্রেক্ষাপটেই তৈরি হয়েছে এই ছবি। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অনুপম খের, মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, পল্লবী যোশী, দর্শন কুমার, ভাষা সুম্বালি, চিন্ময় মন্ডলেকর, পুনীত ইসার, মৃণাল কুলকার্নি, অতুল শ্রীবাস্তব এবং পৃথ্বীরাজ সারনায়েক।

দর্শক তো বটেই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এই ছবির। ছবির কলাকুশলীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। বিজেপি শাসিত তিন রাজ্যে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির টিকিট করমুক্ত করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

RELATED Articles