শেষের হাসিটা কঙ্গনাই হাসলেন। বড় জয় হাসিল করলেন অভিনেত্রী। গত সেপ্টেম্বরে তার অফিস ভাঙার মামলায় জয় হল তারই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এই কাজ করেছে বৃহণ্মুম্বই পুরনিগম, একথাও সাফ জানিয়ে দিল বম্বে হাইকোর্ট। এমনকি, এই মামলায় কঙ্গনাকে মোটা টাকা ক্ষতিপূরণও দিতে হবে বিএমসিকে, এমনটাও জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, বৃহণ্মুম্বই পুরনিগমের তরফে গত ৭ ও ৯ সেপ্টেম্বর কঙ্গনার পালি হিলসের সম্পত্তি ভাঙার যে নোটিস পাঠিয়েছিল বিএমসি, তাও খারিজ করা হয়েছে বম্বে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে। বম্বে হাইকোর্টের মতে সম্পূর্ণ ৪০% খারাপ উদ্দেশ্য নিয়েই এই কাজ করেছে বৃহণ্মুম্বই পুরনিগম। বিচারক এস জে কাথাওয়ালা ও বিচারক রিয়াজ চাগলার জানান, কোনও ব্যক্তির দায়িত্বহীন বক্তব্য বিরক্তিকর হতেই পারে, তা এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেই ব্যাক্তির বা তার সম্পত্তির উপর অকারনে আঘাত হানা যায় না। তাছাড়া, এর পাশাপাশি কঙ্গনাকেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মত প্রকাশের ক্ষেত্রে সংযত থাকার পরামর্শ দেয় বম্বে হাইকোর্ট।
এই ঘটনার সূত্রপাত কঙ্গনার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র কর। মুম্বই পুলিশের কথা বলতে গিয়ে মুম্বইকে কঙ্গনা কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করেন। এতেই রেগে যান শিবসেনা। এরপর পালি হিলসে কঙ্গনার ‘মণিকর্ণিকা ফিল্মস’-এর অফিস অবৈধভাবে তৈরি কড়া হয়েছে, এই নিয়ে গত ৭ই সেপ্টেম্বর একটি নোটিস পাঠায় বিএমসি। তাতে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সঠিক প্রমাণাদির কাগজ না দেখাতে পারলে তার অফিস ভেঙে দেওয়া হবে। গত ৯ই সেপ্টেম্বর তাই-ই করে বিএমসি। এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জে ওঠেন কঙ্গনা, দ্বারস্থ হন বম্বে হাইকোর্টের। পুরসভার কাছে ২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণও দাবি করেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। সেই মামলারই শুনানি হল আজ।
আদালতের তরফে জানানো হয়েছে কঙ্গনার অফিস বাড়ি ভেঙে কত কোটির সম্পত্তি ধ্বংস করেছে বিএমসি, তার নির্দিষ্ট হিসাব পাওয়ার জন্য শেটগিরি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস-কে মূল্যনির্ধারক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে আদালতের তরফে।আগামী তিন মাসে তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবে আদালতে। এরপর কোর্ট বিএমসিকে কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দেবে।





