প্রতিটা মানুষ চায় জীবনে উন্নতি করতে। নিজের নিষ্ঠা পরিশ্রম এবং সততার জন্য সকলেই চাই যে একটা সময় জীবনে এই উচ্চতায় আমরা পৌঁছাব। অনেকে তাতে সফল হন না আবার অনেকেই সফল হন। আজ আপনাদের এমন এক ব্যক্তির কথা বলব যার জীবন কাহিনী আপনাদেরকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
আমরা আজ আপনাদেরকে বিএম বাল কৃষ্ণর গল্প বলবো। যিনি অন্ধপ্রদেশের চিত্তুর জেলার একটি ছোট্ট গ্রাম শঙ্কারায়াল থেকে এসেছেন। তার বাবা পেশায় একজন চাষী এবং মা একজন অঙ্গনওয়াড়ি শিক্ষিকা যিনি সেলাইয়েরও কাজ কর্ম করতেন। কোনরকমে পড়াশোনা শেষ করে নেলোরে থেকে অটোমোবাইল ডিপ্লোমা পড়েন বালকৃষ্ণ। তিনি তার বাবা-মায়ের সংগ্রাম বুঝেছিলেন তাই প্রতি মাসে পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজে 1000 টাকা উপার্জন করে বাড়িতে পাঠাতেন। বালকৃষ্ণ পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছিলেন। তার বাবা-মা তার ফলাফলে খুব খুশি হয়ে তাকে আগে পড়তে বলেছিলেন কিন্তু তিনি চেয়েছিলেন যে একটা চাকরি করে পরিবারের হাল ধরবেন।
চাকরি লক্ষ্যে বালকৃষ্ণ বেঙ্গালুরুতে পৌঁছান কিন্তু সেখানে কোন অটোমোবাইল কোম্পানি তে তিনি চাকরি জোগাড় করতে পারেননি। এরপর তিনি একটি গাড়ি ধোয়ার কাজ পান যার বেতন ছিল মাসিক 500 টাকা। এরপরে আরো 14 বছর তিনি স্ট্রাগল করতে থাকেন এবং বিভিন্ন ছোট খাটো কাজে নিজের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন।
2010 সালে বালকৃষ্ণ নিজের কোম্পানি অ্যাকোয়াপট খোলেন। প্রথম দিকে বেশ কিছু অসুবিধা হচ্ছিল তাই অনেকেই তাকে উপদেশ দিয়েছিলেন যে ব্যবসা করতে কিন্তু তিনি কথা শোনেননি। তিনি নিজের জেদ ধরে রেখেছিলেন যে তিনি ব্যবসা করে নিজেকে সফল প্রমাণ করবেন। গ্রাহক সংখ্যা বাড়তে শুরু করলো তিনি টি-শার্ট, ব্রোশিয়ার বিতরণ করতে শুরু করেন। অবশেষে তার প্রোডাক্ট অ্যাকোয়াপট দেশের কুড়িটি শীর্ষ ওয়াটার পিউরিফায়ার এর তালিকায় নিজের নাম তুলে ফেলে। এখন তার কোম্পানির পণ্য সারাদেশে ব্যবহৃত হয়। যিনি একটা সময় গাড়ি ধুতেন আজকে তার গ্যারেজেই রয়েছে কোটি কোটি টাকার গাড়ি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!