বাঙালির উৎসবের অন্ত নেই। এই সবেমাত্র শেষ হয়েছে বিভিন্ন পুজোর উৎসব। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বছর শেষে দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে ক্রিসমাস। আজ প্রভু যীশুর জন্মদিন। এই উপলক্ষ্যে সারা শহর মেতে উঠেছে খুশিতে। শহরজুড়ে আলোর রোশনাই। করোনা আবহে আনন্দে কিছুটা ভাঁটা পড়লেও উদ্যম দমেনি মানুষের।
এটাই প্রথম ক্রিসমাস কোয়েলের ছেলে কবীরের। মে মাসেই মা হয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে বাইরে বেরোনো যাবে না। তাই ঘরেই ছেলেকে নিয়ে ক্রিসমাস পালন করলেন কোয়েল। ছেলেকে সাজিয়ে তুললেন সান্তার সাজে। সাদা কলার ও কাফযুক্ত লাল কোট, মাথায় লাল-সাদা টুপি, ও সাদা কাফযুক্ত লাল ট্রাউজার্স। ছেলের সঙ্গে মা-ও সেজে উঠলেন দুধে-আলতা রঙের ইন্দো-ওয়েস্টার্ন গাউনে। ছেলেকে কোলে নিয়েই ‘মেরি ক্রিসমাস’-এর শুভেচ্ছা জানালেন অনুরাগীদের।
View this post on Instagram
এদিন ক্রিসমাসের সময় তাঁর নিজের ছোটবেলার কথাও জানালেন কোয়েল। কীভাবে ছোটবেলায় এই দিনে মায়ের সঙ্গে ক্রিসমাসের শপিং করতে করতে যেতেন, ক্রিসমাস ট্রি কেনা থেকে সেটিকে সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ, সবই নিজের হাতে কিনতেন তিনি। কোয়েলের কাছে ক্রিসমাস মানে চারিদিকে শুধুই আনন্দ। সেই দিনে সকলের স্বপ্ন পূরণ হয়। আকাশে বাতাসে প্রচুর মজা। পুরনো বছরের শেষ, নতুন বছরের শুরু, এই সব নিয়েই ক্রিসমাস। একথাই জানালেন অভিনেত্রী।
View this post on Instagram
কোয়েল এও বলেন যে, ছোটবেলায় তিনি সত্যিই মনে করতেন যে কোনও বুড়ো দাদু আছেন, যিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছোটো বাচ্চাদের উপহার দিয়ে আসেন। কিন্তু মল্লিক পরিবারের আসল সান্তা যে কে, তা নাকি কোয়েল অনেক বড় হওয়ার পরই জানতে পেরেছিলেন।
View this post on Instagram
এদিন স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে কোয়েল বলেন যে, ছোটবেলায় ২৪শে ডিসেম্বর রাতে মায়ের কথা মতো তিনি প্রার্থনা করে ঘুমোতে যেতেন। বালিশের পাশে রাখতেন মোজা। সকালে উঠে দেখতেন বিভিন্ন উপহারে ভরে গিয়েছে।
তবে সান্তা যতই মিথ্যে হোক না কেন, প্রার্থনা করাটা যে জরুরি, একথাও বলেন কোয়েল। তিনি মনে করেন সকলের জীবনেই সান্তা রয়েছেন, যারা প্রতিনিয়ত আমাদের ইচ্ছাগুলোকে পূরণ করে চলেছেন। সকলের ভালো থাকার জন্যই প্রার্থনা করাটা খুব জরুরি।





