‘শৌর্য্যকে জোর করে নীলুর সঙ্গে থাকতে বাধ্য করল রাই, তাহলে অনির্বাণকে কেন ক্ষমা করছে না…’, রাইয়ের চরিত্রে বেজায় বিরক্ত দর্শক

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন আরাত্রিকা মাইতি ও নায়ক চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা সুমন দে। এই ধারাবাহিকে বর্তমানে দেখা যায় যে রাইয়ের মিথ্যে রিপোর্ট নিয়ে তাকে সন্দেহ করতে থাকে অনির্বাণ , রাই অনেকবার নিজের পরিস্থিতি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও অনির্বাণ কিছুই বোঝে না। উল্টে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হতে থাকে।

রাইয়ের যে ক্যান্সার হয়েছে সেটা তার বোন স্রোত ও রাই ভালোমতো বুঝতে পারলেও তারা অনির্বাণের সাথে কথা বলে তার মনের মধ্যে থাকা সন্দেহ গুলো দূর করার কোন চেষ্টা করে না। অনির্বাণ যখন বুঝতে পারে তার মারাত্মক একটা ভুল হয়ে গেছে, রাই অন্তঃসত্ত্বা ন‌য়, বরং সে জটিল রোগে আক্রান্ত। তাকে ডাক্তারের ভুল রিপোর্ট দেখে ভুল বোঝা তার উচিত হয়নি, তখন সে বারংবার এসে ক্ষমা চাইতে থাকে। কিন্তু রাই নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। ক্ষমা করা তো দূর, রাই অনির্বাণের মুখ পর্যন্ত দেখতে চায় না।

অথচ এই রাই শৌর্য্যের সাথে কথা বলে তার বোন নীলুকে ক্ষমা করে নতুন করে সংসার করবার জন্য। অথচ শৌর্য্য কোন‌ওভাবেই নীলুকে ক্ষমা করতে রাজি নয়, কিন্তু সেক্ষেত্রে রাই একপ্রকার জোর করতে থাকে শৌর্য্যকে। তার অসুস্থতা সত্ত্বেও সে শৌর্য্যকে অনুরোধ করে যাকে এক প্রকারের সুযোগ নেওয়াই বলা চলে। অথচ এই রাইকে তার বৌমণি যখন অনির্বাণের সাথে সম্পর্ক ঠিক করে নিতে বলে তখন সে একেবারে দৃঢ়! সে বিবাহ বিচ্ছেদ করবেই।

রাইয়ের এই দুইরকমের আচরণ কিছুতেই মানতে পারছেন না দর্শক। দর্শকের বক্তব্য, রাই নিজের বোনের সঙ্গে একরকম ব্যবহার করছে, তার সমস্ত অপরাধ ক্ষমা করে দিচ্ছে, অন্যদিকে নিজের বরের সাথে অন্যরকম ব্যবহার করছে। এই দু’রকম ব্যাপারটাই দর্শক মানতে নারাজ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন লিখেছেন, “রাই চরিত্রটাকে দিনকে দিন কেমন যেন অসহ্যকর লাগছে। রাই শৌর্য্যকে জ্ঞান দিয়ে, তাকে সংসারের পাঠ পড়িয়ে, বলতে পারো প্রায় একপ্রকার ব্ল্যাকমেল করিয়ে নীলুর সাথে আবার থাকতে বাধ্য করালো. কিন্তু আদৌ কি তারা সুখে আছে? নেই, কারণ যেখানে তোমার মনই নেই, সেখানে সুখ আসবে কোত্থেকে? জীবনটা কিন্তু নীলু ও সৌর্য দুজনেরই নষ্ট হচ্ছে. আর এদিকে রাইকে দেখো, সে কিন্তু দিব্যি আছে!”

এরপর শৌর্য্যের কথা না ভেবে নীলুকে তার গলায় জোর করে আবার‌ও ঝুলিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ঐ নেটিজেন বলেছেন, “আর মহিলাটা কি শেয়ানা দেখুন.! সে কিন্তু বোনের সংসার বাঁচাতে শৌর্য্যের কথা না ভেবেই তাকে হাঁড়িকাঠে ঢুকিয়ে দিলো.! আর নিজে, নিজে কিনা অর্নিবানকে ঘুরিয়েই যাচ্ছে। এতো অপরাধ করার পর তোমার চোখে নীলু যদি ভালোমানুষ হয়ে যায়.! তাহলে অর্নিবান নয় কেন.? নাকি নীলু নিজের বোন বলে তার জন্য আলাদা নিয়ম, আর অর্নিবানের জন্য আলাদা.? নীলুর সাথে থেকে শৌর্য্য একা ভুগবে কেন.? তুমিও যাও অনির কাছে এবং তুমিও ভোগ কর! হ্যাঁ সে অর্নিবান যদি সত্যিই ভালো হয়ে যায়.! সে আলাদা কথা, সেটা তোমার কপাল.! কিন্তু এই দুমুখো জিনিস তো চলবেনা সোনামণি. এই যে রাই, নীলু ও অর্নিবান দুজনের সাথে দুরকমের ব্যবহার করছে.! একজন ধোয়া তুলসীপাতা হয়ে যাচ্ছে, আর একজন বিছুটিপাতা.!”

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles