অনির্বাণের সঙ্গে রাইকে কথা বলতে বলে রাইয়ের মা, মা-কে উচিত জবাব দিল সে, কী জানাল রাই?

MithiJhora Today Full Episode 12 September: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে রাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে আর অনির্বাণ তার সাথে দেখা করার অনেক চেষ্টা করছে, কিন্তু কেউ তাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না এবং রাইয়ের খবর পেতে দিচ্ছে না। অনির্বাণ পাগলামো শুরু করলে নার্স গিয়ে রাইকে জানায় কিন্তু রাই পরিষ্কার মুখের ওপর বলে দেয়,সে অনির্বাণের সাথে দেখা করতে চায় না।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১২ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora Today Full Episode 12 September

এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, পর্বের শুরুতে অনির্বাণ সোহিনীকে বলে তুমি কেন আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট করে দিলে বলো তো মা? তখন সোহিনী বলে আমি আবার কি করলাম? নিজের দোষটা অন্যের ঘাড়ে দেওয়া তুমি বন্ধ কর। তখন অনির্বাণ বলে, যখন আমি ভুল করেছিলাম তখন কি আমার ভুলটা তুমি ধরিয়ে দিয়েছিলে? বরং আমার সাথে তুমিও তাল মিলিয়েছো। আর তোমার সেই চেনা ডাক্তার ডঃ শ্রীবাস্তব, উনি একটা টেস্ট করেই বলে দিলেন রাই প্রেগন্যান্ট! উনি তো ডাক্তার। ওনার ভুল হল কী করে? উনি কেন আরেকটা রিপোর্ট করাতে বললেন না? বলো উত্তর দাও।

সোহিনী তখন অনির্বাণকে বলে তোমার মনে যখন এই প্রশ্ন ছিল তাহলে তুমি কেন আরেকটা রিপোর্ট করালে না বা অন্য ডাক্তার দেখালে না? সোহিনী তখন বলে, দেখো অনি নিজে অন্যায় করে আমাকে এর মধ্যে টানবে না। সবসময় রাই রাই করো আর রাই যখন তোমার সাথে সংসার করতে আসে তখন তুমি ওকে ভুল বোঝো। অনির্বাণ তখন বলে, মা আমি তোমার সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে চাই না। তুমি চলে যাও। আমি একটু একা থাকতে চাই, আমাকে একা থাকতে দাও। রাই আমার সাথে দেখা করতে চায় না, আমি ওকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়েছি আর সত্যিই আমার ওর জন্য খুব খারাপ লাগছে।

এইসব শুনে সোহিনী বুঝতে পারে অনির্বানের মনে শুধু রাই। অন্যদিকে সকাল হতেই নন্দিতা দেবী হাসপাতালে গিয়ে রাইয়ের সাথে দেখা করতে যায়। এরপর রাই কেমন আছে জানবার পর নন্দিতা দেবী বলেন, কাল অনেকবার অনির্বাণ এসেছিল, পুরো সময়টা হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল, একবার কি ওর সাথে দেখা করা যায় না? কিন্তু রাই মুখের ওপর না করে দেয় আর বলে দেয়, সে অনির্বাণের সঙ্গে আর কোন‌ও সম্পর্ক রাখবে না, সে এবার আলাদা থাকবে।

অন্যদিকে কলেজে স্রোতকে তার বন্ধুরা বলে, তোর দিদির এত বড় একটা অপারেশন হল তুই আমাদের কিছু বললি না? আমাদেরকে তো একবার জানাতে পারতিস। স্রোত তখন বলে এমন অবস্থায় সবটা হয়েছে জানানো হয়নি। এরপর সার্থক সেখানে আসে আর সকলে চলে যায়। সার্থক মনে মনে ভাবে সে কি স্রোতের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ছে? তখন সে নিজেকে বোঝায় তার ভুলে গেলে চলবে না, সে একজন স্যার। ওদিকে হাসপাতালে ডাক্তারবাবু রাইকে বলে, মন সুস্থ থাকলে আমাদের পুরো শরীরটা সুস্থ থাকে। এরপর স্রোত সেখানে এলে ডাক্তারবাবু বুঝিয়ে দেয় কোন ওষুধটা কখন খেতে হবে। এরপর সবার সাথে রাই বাড়ির পথে রওনা দেয়।

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles