জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে রাই সেরা কর্মচারী হিসেবে অফিস থেকে পুরস্কার পেতে চলেছে তাই সে খুব খুশি, সে চায় তার এই বিশেষ দিনে তার পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষ তার পাশে থাকুক। অন্যদিকে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয় অনির্বাণকে, অনির্বাণ প্রথমে এই অনুষ্ঠানে আসতে না চাইলেও পরে রাইয়ের অফিস এই অনুষ্ঠান করছে শুনে রাইকে কাছ থেকে দেখতে পাওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে যেতে রাজি হয়।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৩ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora Today Full Episode 23 September
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় যে উজ্জ্বলবাবু স্রোতকে বোঝাতে তুই তাড়াতাড়ি সৌভিককে বিয়েটা করে ফেল আর তারপর তোরা দুজনে মিলে খুব সুখে থাক এটাই আমি চাই। অন্যদিকে এইসব কথা শুনে তো সার্থক খুব রেগে যায় আর স্রোতের সাথে ঝগড়া করতে শুরু করে দেয়। স্রোত তখন বলে, আপনি আমার সাথে এভাবে কেন কথা বলছেন? সার্থক বলে আমি তো আর তোমার হবু বর নই যে ভালোভাবে কথা বলব! স্রোত তখন বলে আঙ্কেল আমার এইসব ভালো লাগছে না, তুমি একটু থামো।
উজ্জ্বলবাবু বলে, দেখ তুই তো আমাকে নিজের বাবার জায়গাটা দিয়েছিস, তুই যাতে সুখে থাকিস, সেটা তো আমাকেই দেখতে হবে, তাই আমি চাই তুই সৌভিককে বিয়ে করে সুখে থাক। এরপর উজ্জ্বল বাবু সার্থককে বলে দেখ তুই একটু স্রোতকে বোঝে না ও যাতে সৌভিককে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়। সার্থক তখন বলে, বাবা আমার মনে হয় তুমি একটু বেশি তাড়াতাড়ি করে ফেলছো না? ওর তো এখনও পড়াশোনা কিছুই শেষ হয়নি। উজ্জ্বল বাবু তখন বলে, দেখ ওর তো মাথার উপর বাবা নেই, আর সব দিদিদের বিয়ে হয়ে গেছে তাই আমি চাই ওর পাশেও কেউ দাঁড়াক।
সার্থকের তো স্রোতের বিয়ের কথা শুনতে একদম ভালো লাগে না তাই সে বেরিয়ে যায় আর উজ্জ্বল বাবু মনে মনে বুঝতে পারে ওষুধ একদম ঠিক জায়গায় লেগেছে। অন্যদিকে রাই সেজেগুজে চলে আসে অফিসে তাকে খুব সুন্দর দেখতে লাগছে, স্রোত বলে দিদিভাই তোকে কি সুন্দর দেখতে লাগছে রে, তুই অল্প একটু সেজেছিস, তাতেই এত ভালো লাগছে, ভালো করে সাজলে তো আরও কত সুন্দর লাগবে। এরপর এক এক করে বউমনি ,নীলু,শৌর্য্য সকলেই চলে আসে অফিসের ঐ অনুষ্ঠানে।
অন্যদিকে, অনির্বাণ দূর থেকে রায়কে দেখতে থাকে আর বলতে থাকে রাই তোমাকে কি সুন্দর লাগছে তুমি কি আমাকে আর একটা সে সুযোগ দেবে না আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করতে রাজি আছি সেই সময়ে রায়দের অফিসের বস অনির্বাণকে বলে আপনাকে কিন্তু আমাদের অফিসের যে দুজন কর্মচারী এইবার সেরা হয়েছে তাদের নাম ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের পুরস্কার দিতে হবে অনির্বাণ রাজি হয়ে যায়। এরপর অনির্বাণ বলে কারা দুজন সেরা হয়েছে?
তখন অনির্বাণকে কার্ডটা দেখানো হয়, অনির্বাণ দেখে প্রথমেই রাইপূর্ণা মুখার্জীর নাম আছে, যেটা দেখে অনির্বাণ খুব খুশি হয়ে যায় আর ভাবে, সে রাইকে কাছাকাছি দেখতে পারবে। অন্যদিকে নীলু বলতে থাকে অনির্বাণদারও তো আজকে আসার কথা ছিল দিদিভাই নিশ্চয়ই সেটা জানে না, জানতে পারলে আসতো না। তাহলে বন্ধুরা দিদিভাইয়ের অনুষ্ঠানে এসেও নীলুর মনে দিদিভাইয়ের ক্ষতি করার চিন্তা তবে কি নীলু কোনদিন পরিবর্তন হবে না?






