অনির্বাণকে শৌর্য্য-রাইয়ের সম্পর্ক নিয়ে উস্কে দিল নীলু! ফের কী পুরোনো ফাঁদে পা দেবে অনির্বাণ? কী ঘটতে চলেছে মিঠিঝোরায়?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, রাইকে পুরস্কার দিতে স্টেজে ওঠে অনির্বাণ আর অনির্বাণকে দেখেই রাই কেমন যেন অন্যরকম হয়ে যায়। স্টেজে উঠে সে যেভাবে বক্তৃতা দেবে ভেবে রেখেছিল, সেই সব কথা ভুলে গিয়ে শুধু অনির্বাণকে তাকে প্রথম কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেমে আসে। অন্যদিকে নীলু ভাবতে থাকে কোন‌ও ঝামেলা‌ও হল না, মজাও হল না।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৫ সেপ্টেম্বর (MithiJhora today full episode 25 September)

আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায় যে রাই, স্রোত, বৌমণি সকলে যখন বাড়ি চলে যাবে তখন অনির্বাণ ছুটে আসে রাইয়ের সাথে কথা বলতে। কিন্তু স্রোত অনির্বাণকে রাইয়ের সাথে কথা বলতে দেয় না। এইসময় নীলু বলে, স্রোত তুই দিদিভাইয়ের হয়ে কথা বলছিস কেন? দিদিভাইকে কথা বলতে দে! তখন রাই বলে কী বলতে চাও বলো? অনির্বাণ আলাদাভাবে কথা বলতে চাইলে রাই বলে, অনির্বাণের যা বলার সকলের সামনেই বলতে হবে, কারণ আলাদা ভাবে কথা বলার মত তাদের মধ্যে আর কিছু নেই।

অনির্বাণ তখন বলে, তাকে কি আর একটা সুযোগ দেওয়া যায় না? তারা দুজন মিলে কি আর একবার চেষ্টা করতে পারে না সম্পর্কটাকে নতুন করে শুরু করার? রাই বলে, তার তরফ থেকে যতটা চেষ্টা করা উচিত সেই সব চেষ্টাটা সে করে ফেলেছে , তার পক্ষে আর সম্ভব নয় চেষ্টা করা। তখন অনির্বাণ বলে, কিন্তু আমি চেষ্টা করতে চাই, আমি এই আত্মগ্লানি থেকে মুক্ত হতে চা‌ই। রাই তখন বলে, তোমাকে আত্মগ্লানি থেকে মুক্ত করার কোন‌ও দায় আমার নেই। এইবলে রাই চলে যায়।

এরপর নীলু অনিকে রাই আর শৌর্য্যের বিষয়ে নানা রকম উস্কানিমূলক কথা বলতে থাকে। সে বলে, দিদিভাইয়ের কথাতেই তো শৌর্য্য তাকে ক্ষমা করেছে, শৌর্য্য দিদিভাইয়ের কথা কিছুতেই ফেলতে পারে না। কিন্তু অনির্বাণ সেরকম কিছু বলে না। ওদিকে নীলু মনে মনে ভাবতে থাকে, অনিদা আর দিদিকে মেলাতে পারলেই তার আর শৌর্য্যের সম্পর্ক পুরো নিরাপদ থাকবে। অন্যদিকে রাই রাত্রে বেলায় অনির্বাণের কথা ভাবতে থাকে। ভাবে কখন‌ও কি অনির্বাণ তাকে সম্পত্তি না ভেবে সহধর্মিনী ভাবতে পারবে?

স্রোত ঘুম থেকে উঠে দেখে রাই জেগে। এরপর নানা কথার মাঝে স্রোত বলে, উজ্জ্বলবাবু তার জন্য একটা সম্বন্ধ দেখেছেন আর সার্থকের উপর রাগ করে সে হ্যাঁ বলে দিয়েছে। এইবার যেন রাই সবটা ম্যানেজ করে নেয়। ওদিকে সার্থক উজ্জ্বলবাবুকে বলে, স্রোত তো কাউকে ভালবাসতেও পারে, তোমাকে হয়ত বলতে পারছে না। উজ্জ্বলবাবু বলে, আমার তো মনে হয় উল্টোটা তুই স্রোত কে ভালোবাসিস! এ কথা শুনে সার্থক রেগে উঠে যায়! ওদিকে অফিস যাওয়ার সময় সোহিনী রাইয়ের সাথে দেখা করে এবং অনির্বাণের সাথে সবকিছু মিটমাট করে নিতে বলে। তাহলে সোহিনীর কথা শুনে কী রাই রাজি হবে আবার অনির্বাণকে সুযোগ দিতে?

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles