জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় অনির্বাণের হাত থেকে পুরস্কার নেওয়ার পর থেকেই রাই কেমন অন্যমনস্ক হতে থাকে আর বারবার ভাবতে থাকে অনির্বাণের কথা। আসলে রাই তো এখনও অনির্বাণের প্রতি দুর্বল কিন্তু সে বুঝতে পারে না অনির্বাণ কি কখনও নিজেকে বদলে ফেলবে? কখনও রাইকে নিজের সহধর্মিনী ভাবতে পারবে! অন্যদিকে স্রোত আবার সার্থকের সাথে ঝগড়া করে উজ্জ্বল বাবুর সম্বন্ধে হ্যাঁ বলে দিয়েছে তারপর থেকে সে নিজেই চিন্তায় আছে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৬ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Full Episode 26 September)
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায়, সোহিনী রাইকে অনুরোধ করতে থাকে যে নতুন করে আবার অনির্বাণের সাথে সবটা শুরু করার জন্য কারণ অনির্বাণ ভেতরে ভেতরে অনেক ভেঙ্গে পড়েছে এবং এই পরিস্থিতিতে অনির্বাণের সাথে রাইয়ের থাকা দরকার কিন্তু রাই তখন বলে সেটা সম্ভব নয়। এরপর রাই বলে, সেদিন যদি সোহিনীরা তার পাশে থাকত, তাকে বিশ্বাস করত, তাহলেও সে এই একই কাজ করত। কারণ দিনের শেষে সে অনির্বাণের সাথে থাকবে অনির্বাণ যদি তাকে বিশ্বাস না করে তাহলে তার সম্মান কোথায়?
অন্যদিকে দেখা যায় অনির্বাণের সাথে এক বন্ধু দেখা করতে তার অফিসে আসে। সেই বন্ধু একজন ডাক্তার, সে কানাডা থেকে এখানে এসেছে। সে এসেই জিজ্ঞেস করে, অনির্বাণের চেহারা এমন কেন হয়েছে? অনির্বাণ বলে তেমন কিছু নয়, অফিসের নানান রকম চাপ আছে তো। এরপর সেই বন্ধু রাইয়ের সাথে আলাপ করতে চাইলে অনির্বাণ আর সবটা চেপে রাখতে পারে না। সে তখন বলে দেয়, সে রাইকে ভয়ঙ্কররকমভাবে অবিশ্বাস করেছিল, যে কারণে রাই আর তার সঙ্গে থাকে না এমনকি কোনদিনও তার কাছে ফিরবে কী না সেটাও সে জানে না।
এরপর অনির্বাণ জানতে পারে, ওই বন্ধু একটি ছেলের পায়ের অপারেশন করতে বিদেশ থেকে এসেছে। তখন অনির্বাণ তাকে বিক্রমের বিষয়টা বলে। সেই বন্ধু বলে কেস স্টাডি করলে বলতে পারব সুস্থ হবে কী না। অনির্বাণ তখন বিক্রমকে ফোন করে সবটা বলে আর শেষে বলে রাই যেন জানতে না পারে কারণ রাই জানতে পারলে সে সাহায্য নিতে চাইবে না। বিক্রম তখন মিষ্টিকে সবটা বলে আর অনুরোধ করে রাই যেন জানতে না পারে কারণ রাই তাহলে বাধা দেবে আর বিক্রম আবার নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে রোজগার করতে চায়। মিষ্টিও রাজি হয়।
ওদিকে উজ্জ্বলবাবু নিজের যাবতীয় পরিকল্পনা রাইকে জানিয়ে দিয়েছেন। রাই বলে, আমার আপনার উপর বিশ্বাস আছে আপনি যা ভেবেছেন, তাতে ভালই হবে। অন্যদিকে বাড়ি ফেরার পথে চরম বৃষ্টি হয় আর স্রোত কোনও গাড়ি না পাওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে তখন সার্থক স্যারের গাড়ি যায় আর গাড়ি থেকে নেমে আবার ঝগড়া শুরু করে দেয় সার্থক। ওদিকে রাই এসে দেখে তার দাদা বৌদি বাড়িতে নেই, নন্দিতা বিষয়টাকে আড়াল করবার জন্য বলে যে ডাক্তারের কাছে দেখায় সেই ডাক্তার আজকে একটু দেরি করে বসবে তাই গেছে। কিন্তু রাইয়ের মনে সন্দেহ হয়। তাহলে কী বিক্রমের মাধ্যমেই আবার কাছাকাছি আসবে রাই অনি?





