জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরাতে (MithiJhora) বর্তমানে দেখা যায় অনির্বাণ নিজের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। সে জানে রাই তাকে কোনদিনও ক্ষমা করবে না কিন্তু রাইয়ের দাদা বিক্রম কে অনির্বাণের কানাডা ফেরত বন্ধু সুস্থ করে দিতে পারবে জেনে অনির্বাণ বিক্রমের সাথে যোগাযোগ করে এবং বিক্রমকে জানিয়ে দেয় যেন রাইকে কথাটা জানানো না হয়। এরপর রাইয়ের থেকে সব সত্যিটা আড়াল করে মিষ্টি বিক্রমকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৭ সেপ্টেম্বর (MithiJhora today full episode 27 September)
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায়, রাই নন্দিতা দেবীকে জিজ্ঞেস করে, মা দাদাভাই ডাক্তার দেখাতে গেল তো, আমাকে তো একবার বলতে পারত, দাদা হুইল চেয়ার থেকে নামানো তো খুব একটা সহজ বিষয় না! নন্দিতা দেবী বলে, তুই এত চিন্তা করিস না, ওখানে অনেক মানুষ থাকবে কিছু না কিছু করে সবটা ঠিক হয়ে যাবে। ওদিকে রাস্তার মাঝে গাড়ি না পেয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা স্রোতকে গাড়িতে তুলে নেয় সার্থক।
সার্থক বলে বাড়ির লোককে ফোন করে জানিয়ে দাও না হলে তারা চিন্তা করবে।
সেই সময় রাই ফোন করলে স্রোত বলে, আমি বাড়ি যাচ্ছি বলেই ফোনটা কেটে দেয়। রাই স্রোতের হুট করে এইভাবে ফোনটা কেটে দেওয়া নিয়ে চিন্তা করে। এরপর সার্থক রাইকে বলে, তা সপ্তাহে কয়দিন এখানে আসা হয়? স্রোত বলে, দু দিন। সার্থক তখন বলে, সকালেও তো টিউশন করে কলেজে যাও. আবার এখান থেকে ফিরতে ফিরতে তো রাত হয়ে যায়, বাড়ি ফিরে আবার পড়াশোনা করো ঘুমোও কতক্ষণ? এখন এত কম ঘুমালে শরীর তো ভেঙে পড়বে। স্রোত ভাবতে থাকে, তাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের সবটুকুকে মানিয়ে গুছিয়ে নিয়েই পড়াশুনা চালাতে হয়।
এদিকে সার্থক বুঝতে পারে, স্রোত অনেক কষ্ট করছে। সে তখন স্রোতকে বলে, তুমি চিন্তা করো না আমি বাবাকে বলে দেব, বাবার বন্ধুদের বাবা যেন আসতে মানা করে দেয়। স্রোত বলে, নাহ স্যার, আমি আঙ্কেলকে কথা দিয়ে ফেলেছি, আমি তাকে বিব্রত করতে চাই না। স্রোত মনে মনে কষ্ট পেতে থাকে। ওদিকে সার্থকও কষ্ট পায় কিন্তু সে রাগ দেখিয়ে বলে, তোমার যখন বিয়ের এত ইচ্ছা, তাহলে বিয়ে করো।
ওদিকে বিক্রম তো খুব খুশি, ডাক্তার তাকে আশা দিয়েছে সে পায়ে আবার দাঁড়াতে পারবে। কিন্তু মিষ্টি তাকে বলছে, এখনই এত আশা করোনা! কারণ সে তো জানে এই সমস্ত চিকিৎসা অনেকটা খরচ সাপেক্ষ। ওদিকে অনির্বাণ তার বন্ধুকে বলে সমস্ত টাকা-পয়সা আমি দেব, কিন্তু তুই ওদের বলবি ফান্ড থেকে ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এদিকে বিক্রম মিষ্টিকে বলে, তোমার গয়না আর কীরকম কী আছে? এই কথাটা রাই শুনে নেয়। রাই ভাবে, দাদাভাই বৌদিকে গয়নার কথা কেন জিজ্ঞেস করছে? তাহলে কী ডাক্তার কোনও আশার আলো দেখিয়েছে দাদাভাইকে? তাহলে যেভাবেই হোক দাদাভাইকে সুস্থ করে তুলতেই হবে।
ওদিকে স্রোত কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে কিন্তু রাইকে কিছুই বলে না। রাই চিন্তায় পড়ে যায় স্রোতের মত শক্ত মেয়েকে এভাবে ভেঙে পড়তে দেখে! অন্যদিকে তার দাদা বৌদি তাকে কিছু বলছে না এটা নিয়েও তার চিন্তা হতে থাকে, তবে কী রাই সবটা ধরে ফেলবে?





