জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, রাই হাসপাতালে ভর্তি তার ক্যান্সার হয়েছে, অন্যদিকে অনির্বাণ তাকে সন্দেহ করে তার বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে এবং তার মা ও দাদাকে রাই সম্পর্কে নানা কুকথা বলছে। ধারাবাহিকের এইসব পর্ব দেখে দর্শকদের মধ্যে অনেকেই অনির্বাণকে সমালোচনা করছেন। আবার দর্শকদের মধ্যে অন্য অংশের মানুষ রাইয়ের সমালোচনা করছেন এবং অনির্বাণকে সমর্থন করছেন।
দর্শকদের মধ্যে অনেকেই বলছেন, স্ত্রী মৃত্যুশয্যায় লড়াই করছে আর বর সে কী না সন্দেহ করে বেড়াচ্ছে!একবারের জন্যও কি তার মনে হল না রাইয়ের কথাটা একবারের জন্য বিশ্বাস করে দেখি? রিপোর্ট যদি ভুল আসে তাহলে তার স্ত্রীর আর কোন কোন সমস্যা হতে পারে সেটা একবার ভেবে দেখি! তা না করে অনির্বাণ রাইয়ের জীবনটাকে ক্রমশ জটিল করে তুলছে।
রাইয়ের সম্পর্কে যাবতীয় সত্য জানার পর অনির্বাণ যখন হাসপাতালে ছুটে যায়, তখন স্রোতের কঠিন আচরণকে সমর্থন করেন এই দর্শকরা। এমনকি বারংবার কাতর অনুরোধ করে রাইকে একবার চোখের দেখা দেখতে চাওয়ার পরেও সুস্থ হয়ে রাই যখন অনির্বাণের সাথে দেখা করতে চায় না,তখন দর্শকদের মধ্যে এই অংশের মানুষ বিষয়টাকে সমর্থন করেন।
তারা মনে করেন, রাই যা করেছে তা সঠিক। অনির্বাণের মতো মানুষরা কোনদিনও বদলায় না। কিন্তু দর্শকদের মধ্যে অন্য অংশের মানুষ আবার মনে করছেন, বাড়াবাড়ি করেছে রাই। অনির্বাণ যেমন ভুল করেছে তেমনি নিজের ভুলটা বুঝে বারংবার ছুটে এসেছে, ক্ষমা চেয়েছে, তা সত্ত্বেও রাই তার সাথে কঠোর আচরণ করে থাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। দর্শকদের মধ্যে এই অংশের মানুষ মনে করেন, যতই খারাপ আচরণ করুক অনি কিন্তু মন দিয়ে ভালবাসে রাইকে। সেই কারণেই সে সন্দেহ করে।
অনির্বাণকে সমর্থন করে এরকম একজন দর্শক লিখেছেন, “রাই নিজেকে কি মনে ভাবে কি জানি? অনির্বাণ বারবার ফিরে আসে তার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আর উনি তাকে বারবার ফিরিয়ে দেয় ওর কি পুরুষের ভালোবাসার দরকার নেই। পুরুষের ভালোবাসা ছাড়া একটা মেয়ের জীবন চলতে পারে একটা পুরুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য মানুষ ছটফট করে। কত কি মেনে নিতে হয় আর এ তো দেখছি একাই একশ। মা বোন সারা জীবনের দায়িত্ব নেবে? একসময় কেউ আর পাশে থাকবে না”। অন্য একজন আবার মনে করেন, রাই চরিত্রটাই ভীষণ ন্যাকা, অনির ভালোবাসার সে মূল্য দেয়নি কোনদিন।
অনির্বাণকে সমর্থন করে আরেকজন দর্শক আবার লিখেছেন, “অনির্বান সন্দেহবাতিক হলেও ও কিন্তু রাইকে অনেক ভালোবাসে। আমার কাছে কেন জানি না রাই চরিত্রটাই বিরক্ত লাগে বেশি। একটা বোরিং, আনরোমান্টিক, ইগোইস্টিক চরিত্র। কেন অনির্বান কাছে আসতে চাইলে সব সময় দূরে সরিয়ে দিত ও?? নীলু ভুল করলে ক্ষমা পেয়ে যায়, ওর মা ভুল করলে ক্ষমা পেয়ে যায় যত রাগ ওর শুধু অনির্বানের উপর। সারাক্ষণ শুধু অফিস নিয়ে পড়ে থাকে স্বামীকে সময় দেয় না। অনির্বান ওর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য অনেক কিছুই করেছে কিন্তু এই অতি পাকা ন্যাকা রাই শুধু অফিস আর নিজের পরিবার ছাড়া কাউকে ভালোবাসেনি। না অনির্বানকে না শৌর্য্যকে”।






