বর্তমান যুগে ব্লগারদের দৌলতে এখন ফুটপাতের বিভিন্ন খাবার আজ বিখ্যাত। শুধুমাত্র বড়ো বড়ো হোটেল রেস্টুরেন্ট না ফুড ব্লগাররা কলকাতার কোন রাস্তায় কোন খাবার পাওয়া যায় সেদিকে ও নজর দিয়েছেন। দর্শকদের সামনে তুলে ধরার জন্য ছোট বড় সব দোকানেই পৌঁছে যান ফুড ব্লগাররা। এমনভাবেই ব্লগারদের দৌলতে নন্দিনী দিদিকে (Nandini Di) সবাই চিনে গেছেন। আবার ইন্টারনেটের যুগে অনেকেই চিনেছেন খাবার বিক্রেতা অরুণ দাকে।
নন্দিনী দি (Nandini Di) আর অরুণদার দুজনেরই রাস্তার ধারে খাবারের দোকান রয়েছে। অরুনদা বিক্রি করেন পেটাই পরোটা সাথে টুকিটাকি জল খাবার। নন্দিনী দিদি চালান পাইস হোটেল। কলকাতার ফুড ব্লগারদের দৌলাতে আজ দুজনেই বিশাল বিখ্যাত হয়েছে। অনেক মানুষ আজ তাদের চেনেন। শুধুমাত্র ফুড ব্লগারদের ভিড় হয় না, সাধারণ পথ চলতি অনেক মানুষও খেতে আসেন এদের দোকানে। নন্দিনী দিদি, তার কথা বলার ধরন ঝগড়া নানান মন্তব্য নিয়ে বারবার নজরে এসেছেন দর্শকদের। একসময় নন্দিনীদিকে বলা হত ভাইরাল দিদি।
এমন অনেক সময় দেখা গেছে রাস্তার ধারের খাবার দোকানগুলির মালিকদের মধ্যে বিতর্ক করতে শুরু করেছেন ফুড ব্লগাররা। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে অন্য কোনো ভাইরাল দোকানদার, অন্য কোন দোকানদারদের দোকানে গেছেন। তা হয়ে উঠেছে আলোচিত বিষয়। ফুড ব্লগারদের নতুন কনটেন্ট। এবার নন্দিনী (Nandini Di) যদি এসে পৌছালেন বাঘাযতীনের ডিজে অরুণদার দোকানে।
সম্প্রতি নন্দিনীদির (Nandini Di) একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে এবার সেজেগুজে দেখা যাচ্ছে নন্দিনী দিকে। নন্দিনীদির পরনে ম্যাজেন্টা রঙের শাড়ি এবং সবুজ স্লিভলেস ব্লাউজ। গলায় সোনালি চোকার এবং কানে দুল। মেকআপ করে তিনি এসে পৌঁছেছেন ডিজে অরুণ দার দোকানে। তবে শুধুমাত্র দোকান ঘুরে দেখতে এসেছেন নাকি খাবার খেয়ে টেস্ট করতে, কথা প্রকাশে জানাননি অরুনদা বা নন্দিনীদি (Nandini Di) কেউই। আবার অনেকেই মনে করছেন নন্দিনীদি (Nandini Di) ও অরুন দা যৌথ উদ্যোগের নতুন কিছু নিয়ে আসতে চলেছেন। তবে বেশিরভাগই কথায়, একই পেশার অন্য একজন মানুষের দোকানে খাবার খাওয়াই মূল লক্ষ্য ছিল নন্দিনীদির (Nandini Di)। তবে এ নন্দিনীদের অনুরাগীরা অপেক্ষা করছে সময়ের, যদি নতুন কোনো খবর পাওয়া যায়। অপেক্ষা করছেন ফুড ব্লগাররাও নতুন কনটেন্টের।
ভাইরাল হওয়া নন্দিনীদির (Nandini Di) পোস্টে, এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আজকের যুগে দাঁড়িয়ে এরাই তো সেনসেশন। এরাই তো ভাইরাল। চালিয়ে যাও নন্দিনী দি। এগিয়ে বাংলা।’ অপর এক ব্যক্তি লেখেন, ‘নন্দিনী দিদিকে কেউ পাত্তা দেয় না এখন আর, তার থেকে আমাদের সাগর ভাই অনেক ভালো। সবাই সাগর ভাইয়ের হোটেলে এসো।’ অন্য ব্যক্তির কথায়, ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় ফেসবুকটা যেন এদের জন্য খোলা হয়েছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘খেলা হবে।’





