নোট যেহেতু মেলেনি কোন সুইসাইড-নোট তাই আপাতত ভাবে ধরে নেওয়া হচ্ছে মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছেন এই তরুণ জনপ্রিয় অভিনেতা। জানা গেছে পাঁচ মাস ধরে মানসিক অবসাদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন সুশান্ত । পাঁচ দিন আগে ফোনে কথা হয় বোনের সঙ্গে। শরীর ভালো নেই বলে জানিয়েছিলেন সুশান্ত। অভিনেতার বোন আসেন তাঁর বান্দ্রার বাড়িতে এবং দুদিন ছিলেনও তিনি ভাইয়ের সঙ্গে।
সুশান্তর বন্ধু ও এক রাঁধুনি জানিয়েছেন সম্প্রতি ব্যবহারেও মারাত্মক পরিবর্তন এসেছিল এই সদা হাস্যোজ্জ্বল অভিনেতার। কথায় কথায় রেগে যাচ্ছিলেন। অন্য একটি সূত্র বলছে চলতি বছরের নভেম্বর মাসে নাকি বিয়ে করার কথা ছিল অভিনেতার। যাঁর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাঁর সঙ্গেও ঝগড়া চলছিল। লকডাউনের সময় তাঁর বাঙালি বান্ধবী ছিলেন সুশান্তের কাছে। মৃত্যুর আগে গভীর রাতে শেষবারের মতো ফোন করেন প্রিয় বন্ধু ও এক সময়ের সহ-অভিনেতা মহেশ শেট্টিকে। কিন্তু ফোন তোলেননি তিনি । আর তার পরের দিনই সকালে আত্মহননের পথ বেছে নেন সুশান্ত।





