বড়বাজারে শিশুহত্যার ঘটনা মোড় নিল অন্যদিকে। পুলিশের তদন্তে উঠে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য।পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, ঠিক একবছর আগেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের স্ত্রীর। ওই বাড়ির প্রতিবেশীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিবকুমার গুপ্ত মৃত্যুর আগে স্ত্রীর উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর উঠে এসেছে বিভিন্ন তথ্য।একটি সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, এক বছর আগে বাড়ির বারান্দা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন অভিযুক্তের স্ত্রী। অভিযুক্তের সঙ্গে বিবাদ যখন চরমে উঠত তখন তাঁর উপর রোজ শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতেন অভিযুক্ত।
আবার আরেকটি সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের স্ত্রী প্রথমে বেশ কিছুদিন নিখোঁজ ছিলেন। তারপর অন্যত্র তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। আর এখানেই ঘনিয়েছে রহস্য। প্রশ্ন উঠেছে, অভিযুক্তের স্ত্রী কি সত্যিই আত্মহত্যা করেছিলেন? নাকি পারিবারিক বিবাদের সময় তাঁকেও খুন করেছিলেন শিবকুমার গুপ্তা? প্রমাণ লোপাটের জন্য তারপর দেহ অন্যত্র সরিয়ে ফেলেন।
এবার এই বিষয়েও তদন্তে নামছে পুলিশ। ২ শিশুকে বারান্দা থেকে ছুঁড়ে ফেলে খুনের সঙ্গে স্ত্রীর ‘রহস্যমৃত্যু’র কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অভিযুক্তকে মনোবিদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।





