‘খড়কুটো’ ধারাবাহিকটি শুরুর দিন থেকেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। গুনগুন-সৌজন্যের দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের মজেছিল দর্শককূল। গুনগুনের সরল সাদাসিধে স্বভাব অনেকের পছন্দ হলেও, ইদানিংকালে, তার সেই স্বভাবই নাকি ধারাবাহিকের পতন ডেকে আনছে, অন্তত নেটিজেনদের তাই মত। গুনগুনের স্বভাব ‘বড্ড বেশি ন্যাকা’ ও ‘অবুঝ’, এমনটাই দাবী করেছেন নেটিজেনদের একাংশ।
গুনগুনের এই এত সাদাসিধে স্বভাব মানতে একেবারেই নারাজ নেটিজেনরা। আসলে, সম্প্রতি ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে যে, মুখার্জি পরিবারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য। পরিবারকে সেই সুসংবাদ এনে দিয়েছে বাড়ির আরেক বউ মিষ্টি। ধারাবাহিকে দেখানো হয় যে, নববর্ষের আগের দিন খুবই শরীর খারাপ করে মিষ্টির। সারাদিন বারবার বমি করতে থাকে সে। এরপরই জানা যায় যে মিষ্টি অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু সেইসব একেবারেই বুঝে উঠতে পারেনা গুনগুন। অনেকে অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করে, কিন্তু তাও তা গুনগুনের মাথায় ঢোকে না। পরে সৌজন্যে গুনগুনকে অনেক চেষ্টার পর গোটা ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলে।
আরও পড়ুন-‘তৃতীয় সন্তান হলে জরিমানা বা কারাদণ্ড হওয়া উচিত’! ভারতের জন্মনিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনের দাবি কঙ্গনা’র
গল্পের এই দিকটা একেবারেই মেনে নিতে পারেননি নেটিজেনরা। তাঁদের দাবী, গুনগুন একজন বড় ডাক্তারের মেয়ে। ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করেছে। প্রাপ্ত বয়সে বিয়ে করেছে। এরপরেও এই না বোঝা কেন? কেন সে বোঝে না বাচ্চা কীভাবে হয়? “ধারাবাহিকের লেখক কি দর্শকদের বোকা মনে করেন?”, এমন ধরনের প্রশ্নও উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। আর এতেই নাকি দিনদিন একঘেয়ে হয়ে উঠছে ধারাবাহিক। তাই পড়ছে টিআরপি। যা, নিঃসন্দেহে ধারাবাহিকের নির্মাতাদের জন্য চিন্তার বিষয়।
View this post on Instagram
তবে গুনগুন ওরফে তৃণার সমর্থনে হাজির হয়েছেন তাঁর ভক্তরাও। মিষ্টি অভিনেত্রীর মিষ্টি অবতার বড়ই ভালো লাগে তাঁদের। তাই এই ধরণের নেতিবাচক কথা মানতে একেবারেই নারাজ তাঁরা। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘খড়কুটো’ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তরজা।





