বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে টিআরপিতে প্রথম স্থানে ‘মিঠাই।’ গল্প জম জমাট হয়ে উঠেছে দাদুর এক বান্ধবী এই বাড়িতে আসার পর থেকে। হই- হুল্লোড়, মোদক পরিবারের গল্প আর সঙ্গে সিদ্ধার্থ আর মিঠাইয়ের কেমিস্ট্রি সব মিলে দর্শকদের মন জয় করে চলেছে এই ধারাবাহিক। তবে দর্শকদের মনে আবার তৈরি হয়েছে ক্ষোভ।
দাদুর বান্ধবী বাড়িতে আসার পর থেকে এই ধারাবাহিকে শুরু হয়েছে ছেলে এবং মেয়েদের লড়াই। ছেলেদের বক্তব্য, মেয়েরা স্পেস দিতে জানে না. আর মেয়েরা দাবি করছে, ছেলেরা স্পেস দিতে জানে না এবং ছেলেরা বউ ছাড়া কিছু করতে পারে না একা। ছেলেরা সব এক পাড়ার মনোভাব দেখালেও তারা কিছু করতে পারে না শেষমেশ। তাই ধারাবাহিকে মিঠাই এবং অন্যান্য মহিলারা নিজেদের খাবার বানানো ছাড়া কিছুই করছে না।
কিন্তু শেষ এপিসোডে ঘটে যায় একটি বিতর্কিত ঘটনা। সিদ্ধার্থ রেফ্রিজারেটর চাবি খুঁজে পাচ্ছিল না। সে ভুল করে মিঠাইকে ডেকে ফেলে। আর মিঠাই সেই ডাক শুনে থাকতে না পেরে নিচে এসে তাকে চাবি খুঁজে দে এবং তাকে ডিম ফাটিয়ে সাহায্য করে দেয়।
এই ঘটনা জানা জানি হতেই সিদ্ধার্থ মিঠাইয়ের ঘাড়ে সব দোষ দিয়ে দেয়। আর এই দৃশ্য দেখেই মিঠাই ভক্তদের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। ভক্তরা বলে, সিদ্ধার্থ-র এতো ইগো কিসের! সে কেন স্বীকার করছে না মিঠাইকে কোনও কাজ করতে পারে না সে।
নেটিজেনদের বক্তব্য, সিডের এতো ইগো, যা কোনও পুরুষ ব্যক্তিত্বের হতে পারে না। এমনকি তারা বলছে, সিদ্ধার্থ মোদক পাল্টে গেছে। এছাড়াও এমন অনেক উদাহরণ আছে যেখানে মিঠাই সিদ্ধার্থকে সসম্মানে অধিক স্পেস দিয়েছে। তাহলে মিঠাইকে কোন যুক্তিতে বলা হচ্ছে সে স্পেস এর মানে জানে না?
বরং সিদ্ধার্থ নিজেইতো স্পেস টা দেয়নি! মিঠাই অনুরাগীদের দাবি, এবার মিঠাই চরিত্রকে একটু শক্ত এবং দৃঢ় দেখানো উচিত।






