টেলিভিশনের পর্দায় নানান চ্যানেলে নানান ধারাবাহিক হয়, কিন্তু এর মধ্যে এমন কিছু ধারাবাহিক থাকে, তা সহজেই মানুষ খুব আপন করে নেয়। প্রতিনিয়ত সেই ধারাবাহিকের সম্বন্ধে জানতে উৎসুক থাকেন তারা। সেরকমই একটি ধারাবাহিক হল ‘খড়কুটো’।
গুনগুনের দুষ্টু-মিষ্টি, চঞ্চল স্বভাব ও অন্যদিকে গোমড়া মুখো সৌজন্য, এই দুজনের রসায়ন নিয়েই চলছে এই ধারাবাহিক। এর সঙ্গে রয়েছে তাদের পরিবারের হাসি-মজার সম্পর্ক। সবকিছুই বেশ উপভোগ করছিল দর্শকরা।
আরও পড়ুন- ফের মসীহা সোনু! ১৬-১৭টি রাজ্যে অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপন করবেন অভিনেতা, কাজ শুরু সেপ্টেম্বরেই
টিআরপি ভালোই ছিল এই ধারাবাহিকের, কিন্তু পরের দিকে টিআরপি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ভজনবাবুর নানান ঘটনা থেকে শুরু করে মুখার্জি পরিবারে আদিলের আগমন, সব মিলিয়েই যেন কেমন ছন্দ কাটছিল ধারাবাহিকের।
এসবের মধ্যেই দেখা যায়, সৌজন্যের কথায় অপমানিত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যায় গুনগুন। পণ নেয় যে পরীক্ষায় সে ফার্স্ট ক্লাস পাবেই। এমনকি, সৌজন্যের পরিবার তাঁকে ফেরত নিলে এলেও ঠাণ্ডা ব্যবহার করে গুনগুন তাদের সঙ্গে।
এবার শেষ পর্যন্ত মেয়ে-জামাইকে এক করতে মাঠে নামলেন কৌশিকবাবু। সৌজন্যকে গুনগুনকে নিয়ে চিন্তা করা নিয়ে উত্তেজিত করে তোলেন তিনি। সৌজন্য বলে যে সে বিদেশে চলে যাবে। এই কথা শুনে কৌশিকবাবু বলেন যে “বউ পাত্তা দিচ্ছে না বলে বিবাগী হয়ে যাবে?”
View this post on Instagram
আরও পড়ুন- শুট ফ্রম হোম পার্থক্য গড়ল টিআরপি তালিকায়! নামলো খড়কুটো, কী চমক দিল মহাপীঠ তারাপীঠ?
অন্যদিকে আবার তিনি গুনগুনকে সৌজন্যের বিদেশে হাওয়ার খবর দেন। সেদিকে গুনগুনকে সৌজন্যের বিষয়ে উস্কাতে থাকেন তিনি। এমন সময় গুনগুন কান্নায় ভেঙে পড়ে বলে, “ওই বাড়ির সবাই খুব ভালো। হ্যাঁ ওই একদিনই খালি আমায় বকেছে। তার চেয়ে অনেক বেশি আমার অত্যাচার ওরা সহ্য করেছে। আমি তো বুঝতেই পারিনি কখন যে ওই বাড়িটা আমার নিজের বাড়ি হয়ে গেল”।
View this post on Instagram
আসলে মেয়ে-জামাইকে কাছে আনতে তাদের মধ্যেকার রাগ-অভিমানকেই কাজে লাগিয়েছেন গুনগুনের বাবা। সেই দৃশ্যই এখন দেখানো হচ্ছে ধারাবাহিকে। এরপর ধারাবাহিকের মোড় কোনদিকে যায়, সেটাই দেখার।





