ভূতের ভবিষ্যৎয়ের জনপ্রিয় অভিনেতার পথে বসার উপক্রম! হাতে নেই একটা কাজ, কী অবস্থা এখন?

লকডাউনে সবথেকে বেশি মার খেয়েছেন বিনোদন জগতের মানুষরা। বড় নায়ক নায়িকারা স্বচ্ছন্দে জীবন কাটালেও ছোট অভিনেতারা বসেছেন পথে।

অনীক দত্ত পরিচালিত ভূতের ভবিষ্যৎ সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিল ভূতনাথ ভান্ডারী। তার অভিনয় দক্ষতা নিঃসন্দেহে তারিফ করার যোগ্য। সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত বাইশে শ্রাবণ সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। হ্যাঁ, তিনি টলিপাড়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ সুমিত সমাদ্দার।কমেডি হোক ভিলেন তার নিজস্ব অভিনয় দক্ষতায় একার দায়িত্বে পাল্টে দিতে পারেন সবটুকুই।

তবে কিছুদিন রুপোলি পর্দা থেকে অনেকটাই দূরে তিনি।তিনি চরিত্রাভিনেতা, খুব বেশিদিনের কাজ তাঁদের থাকে না। ধারাবাহিকে অভিনয় করলেও শেষ এক বছর কোনরকম কাজের অফার পাননি তিনি।লকডাউনের ফলে কাজ বন্ধ ছিল। ক্রমেই সে সব স্বাভাবিক হলেও আর কোনো কাজ পাচ্ছেন না তিনি। অগত্যা বিকল্প রাস্তার কথা ভাবছেন তিনি।

তার কেরিয়ার রীতিমত চমকপ্রদ। শুরুর দিকে চাকরি করলেও পরে ব্যবসা শুরু করেন। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির সাথেও যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন।তাঁর ব্যান্ডও ছিল, ‘অভিলাষা’। রাঘব চট্টোপাধ্যায়ের ‘চাঁদ কেন আসেনা আমার ঘরে’ গানটিও তাঁর লেখা!

রূপঙ্কর,শুভমিতার মত শিল্পীরা তার লেখা গানে গলা দিয়েছেন।দেবজ্যোতি মিশ্র সাথে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। এই হেন শিল্পী বর্তমানে কাজের জন্য অপেক্ষায়।

ভূতের ভবিষ্যৎয়ের জনপ্রিয় অভিনেতার পথে বসার উপক্রম! হাতে নেই একটা কাজ, কী অবস্থা এখন?

গত বছর দুর্গাপুজোয় শেষ কাজ করেন তিনি। তারপর থেকেই আর কোনো কাজ পাননি তিনি। বর্তমানে একটি অ্যাপসে গল্প পাঠ করেন, কিন্তু সেই পারিশ্রমিক কিছুই না। ফলে অভিনেতা কিছুটা সন্দিহান। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে তিনি জানান “আমার মত অনেক শিল্পীরই একই অবস্থা। সমবণ্টন বলে একটা কথা ছিল ইন্ডাস্ট্রিতে যা এখন আর নেই। ফোরাম অনেকের পাশে রয়েছেন, তবে কর্মও জরুরি। সবাইকে কাজ দেওয়া সম্ভব নয়, তবে কিছু অভিনেতার বসে থাকাটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। সব পেশাতেই এখন একইরকম অবস্থা।”

সূত্রের খবর, ইন্ডাস্ট্রির একাধিক শিল্পীর অবস্থা খুবই করুণ।সব্জি বিক্রি থেকে মাছের ব্যবসা, শিল্পীরা সংসার চালাতে রোজগার করছেন এইভাবেই, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কীভাবে তারা কাজে ফিরবেন এটাই প্রশ্ন।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর