কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সবেমাত্র জামিন পেয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরা। সোমবার দিন আদালতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের অনুমতি ছাড়া রাখাল বেরার বিরুদ্ধে কোনো এফআইআর করা যাবে না। এদিকে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আদালতের রায়ে স্বস্তিতে আছেন রাখাল বেরা।
মূলত সেচ দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা লুটেছিলেন রাখাল বেরা। অভিযোগ ছিল এমনটাই। পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টাই থানাতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এমনকি পাশাপাশি মানিকতলা থানাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ছিল। এরপরে পুলিশ জুন মাসের ৭ তারিখ গ্রেফতার করে তাঁকে। এরইমধ্যে কিছুদিন আগেই স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য কাঁথি আদালতে দাবি করেছিলেন রাখাল। শেষপর্যন্ত হাইকোর্ট থেকে জামিন মিলেছে। কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাস্টিস রাশের মান্থা।
পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন রাখাল বেরা। ২০১৮-১৯ সালের দিকে রাজ্যে সেচ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তখনই রাখাল বেরা চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় দু লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন এক ব্যক্তির কাছে। অভিযোগ দায়ের হয় এই নিয়ে। এদিকে গত বছর ডিসেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বিষয় নিয়ে রাখাল বেরার আইনজীবী সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছিলেন, তাঁর মক্কেল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন।
২০৮-১৯ সালে সেচ দফতরে মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর রাখাল বেরা ছিল তাঁরই ঘনিষ্ঠ। কিন্তু পরবর্তীতে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি দলে যোগ দেওয়ায় সমস্যায় পরেছেন রাখাল বেরা। তবে হাইকোর্টের রায়ে এই মুহূর্তে স্বস্তি মিলেছে তাঁর।





